রাজ্যে বিজেপি ক্ষমতায় এলে তৃণমূলের দুষ্কৃতীদের জেলে পাঠানো হবে বলে হুঁশিয়ারি দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। ২৩ এপ্রিল ভোটগ্রহণের আগে দুষ্কৃতীদের থানায় গিয়ে আত্মসমর্পণও করতে বলেছেন তিনি। এ বার কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহের হুঁশিয়ারি, ভোটের দিন তৃণমূলের দুষ্কৃতী-গুন্ডারা রাস্তায় বেরিয়ে ঝামেলা করলে, তাদের উল্টো করে ঝুলিয়ে সোজা করা হবে।
প্রায় প্রতিটি নির্বাচনী প্রচারেই সিন্ডিকেটরাজ, মাফিয়ারাজের অভিযোগ তুলে তৃণমূলকে আক্রমণ করে চলেছেন মোদী-শাহেরা। হুঁশিয়ারি দিয়েছেন, বিজেপি ক্ষমতায় আসার পর ‘সবকা সাথ, সবকা বিকাশ’-এর সঙ্গে ‘সবকা হিসাব’-ও হবে। ভোটের শেষ বেলার প্রচারে সেই সুর আরও চড়িয়েছেন তাঁরা। মঙ্গলবার পশ্চিম বর্ধমানের কুলটিতে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর সভা ছিল। সেখানে শাহ বলেন, ‘তৃণমূলের গুন্ডা-দুষ্কৃতীদের বলছি, কান খুলে শুনে নিন। ২৩ তারিখ ভোটের দিন ঘর থেকে বেরোবেন না। বেরিয়ে ঝামেলা পাকাবেন না। তা হলে আগামী ৪ মে বিজেপি বাংলায় সরকার গড়ার পর আপনাদের কেউ বাঁচাতে পারবে না। আপনাদের উল্টো করে ঝুলিয়ে সোজা করব।’
গত রবিবারও একই ভাবেই ‘শাসকদল আশ্রিত দুষ্কৃতী’দের হুমকি দিয়েছিলেন মোদী। বাঁকুড়ার সভায় তিনি বলেছিলেন, ‘বাঘ কে? বাংলার জনতা হলো বাঘ। এই জনতা ফুঁসছে, আর সহ্য করবে না। নির্মম সরকার হঠাতে তারা বদ্ধপরিকর। এখন বদল চাই। সব সিন্ডিকেট, গুন্ডাদের শেষ বার বলছি, ২৯ এপ্রিলের আগে নিজের নিজের থানায় আত্মসমর্পণ করুন। খুব ভালো হয়, যদি ২৩ তারিখের আগে করেন। কারণ, ৪ মের পরে কেউ বাঁচবে না। বিষ্ণুপুরের মাফিয়া, কয়লা পাচারকারী, সিন্ডিকেট কান খুলে শুনুন, এ সব চলবে না।’
অনুপ্রবেশ নিয়েও কুলটির সভা থেকে তৃণমূলকে বিঁধেছেন শাহ। বলেছেন, ‘আগামী ৫ তারিখ (মে) বিজেপিকে সরকার গড়তে দিন। তার পর বাংলা থেকে অনুপ্রবেশকারীদের বেছে বেছে বাংলা থেকে বার করব।’