রাজ্যের বিভিন্ন কলেজের সহকারী অধ্যাপকদের ভোটের কাজে (প্রিসাইডিং অফিসার) নিয়োগের ক্ষেত্রে সিঙ্গল বেঞ্চের রায়ে স্থগিতাদেশ। স্থগিতাদেশ দিল বিচারপতি শম্পা সরকার ও বিচারপতি অজয় গুপ্তার ডিভিশন বেঞ্চ। মঙ্গলবার এই নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। আদালতের বক্তব্য, কয়েকজন শিক্ষক মামলা করলেও, একাংশ কমিশনের নির্দেশ মতো দায়িত্ব নিয়েছেন। ভোটের কাজে তাঁদের কমিশনের কতটা প্রয়োজন সেটাও উপলব্ধি করতে হবে। তাঁদের যদি প্রিসাইডিং অফিসারের দায়িত্ব দেওয়া হয়, সেটাও যথেষ্ট গুরুত্বপূর্ণ। দেশের প্রতিটি নাগরিকের জাতীয় স্বার্থ দেখা বাধ্যতামূলক।
এই বিধানসভা ভোটে বুথে বুথে প্রিসাইডিং অফিসার হিসেবে রাজ্যের সহকারী অধ্যাপকদের নিয়োগ করেছে নির্বাচন কমিশন। এ নিয়ে বিজ্ঞপ্তিও জারি করা হয়। প্রিসাইডিং অফিসার হিসেবে প্রশিক্ষণেরও ব্যবস্থা করা হয়। অনেকেই ইতিমধ্যে সেই প্রশিক্ষণ নিচ্ছেন। কিন্তু এই নির্দেশ নিয়ে একাংশ সহমত নন। মামলা হয় হাইকোর্টে। গত সপ্তাহে সিঙ্গল বেঞ্চের শুনানিতে অধ্যাপকদের ভোটের কাজে নিয়োগের যথাযথ কারণ দেখাতে পারেনি কমিশন। এর পরেই সেই নির্দেশে নিষেধাজ্ঞা দেয় আদালত। অধ্যাপকদের বেতন ও পদমর্যাদা মাথায় রেখে, দায়িত্ব দিলে তা পালন করবেন বলেও জানায় সিঙ্গল বেঞ্চ।
এ দিন সেই নির্দেশই স্থগিত করল ডিভিশন বেঞ্চ। আদালতের বক্তব্য, প্রিসাইডিং অফিসারের কাজের পরিধি অনেক দীর্ঘ। আদালতের আরও পর্যবেক্ষণ, ‘দেশের প্রতিটি নাগরিকের জাতীয় স্বার্থ দেখা বাধ্যতামূলক। সেটা কেউ অস্বীকার করতে পারে না। এমন বৃহৎ কর্মযজ্ঞে কেন্দ্র বা রাজ্যের সরকারি কর্মীদের বেশি কাজে লাগানো হয়। আর এই ক্ষেত্রে সকলেই রাজ্যের সরকারি কলেজের অধ্যাপক।’
আপাতত কলেজের অধ্যাপকদের ভোটের বুথে দায়িত্ব দিতে কমিশনের আর বাধা রইল না।