প্রতিদিনের মতো মর্নিং ওয়াকে গিয়েছিলেন। তখনই মৃত্যু হয়েছে এক ব্যক্তির। অনিল বিশ্বাস নামে ওই ব্যক্তির মৃত্যু ঘটনায় বাড়ছে রহস্য। পরিবারের দাবি, কোনও দুর্ঘটনায় তাঁর মৃত্যু হয়নি। এটি পরিকল্পিত হত্যাকাণ্ড বলেও অভিযোগ পরিবারের।
এই মৃত্যুর ঘটনা ঘটেছে নদিয়ার ভীমপুর থানার কালীতলা এলাকায়। মৃতের পরিবার সূত্রে খবর, নিয়মিত মর্নিং ওয়াকে যেতেন অনিল বিশ্বাস। অন্য দিনের মতো গত ১৪ এপ্রিলেও বাড়ি থেকে বেরিয়েছিলেন তিনি। থানা থেকে ঢিল ছোড়া দূরত্বে একটি দ্রুতগামী গাড়ি পেছন থেকে এসে তাঁকে পিষে দেয়। গুরুতর আহত অবস্থায় তাঁকে শক্তিনগর জেলা হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হলে চিকিৎসকরা মৃত ঘোষণা করেন।
পরিবারের অভিযোগ, থানা থেকে মাত্র ৭০ মিটার দূরে এই ঘটনা ঘটেছিল। পরিবারের সদস্যদের অভিযোগ, ঘটনার পর থানায় এফআইআর করতে গেলে পুলিশ তাঁদের ওপর চাপ প্রয়োগ করে। অভিযোগপত্রে একটি অন্য গাড়ির নম্বর দিয়ে মামলা করার জন্য চাপ সৃষ্টি করা হয় বলেও অভিযোগ তুলেছেন মৃতের দাদা। তিনি এক জন প্রাক্তন সেনা কর্মকর্তা।
পরিবারের দাবি, সিসিটিভি ফুটেজ দেখেও গাড়ি শনাক্ত করতে পারছে না বলে তাদেরকে জানিয়েছিল পুলিশ। পরে পরিবারের সদস্যরা নিজেরাই স্থানীয়দের কাছ থেকে ফুটেজ সংগ্রহ করে পুলিশকে দেন।
তাঁদের দাবি, দুর্ঘটনাস্থলের পাশে থাকা একটি নার্সারির সিসিটিভি ক্যামেরা ঘটনার পরেই খুলে ফেলা হয়। পুলিশকে এ বিষয়ে জানানো হলেও সদুত্তর মেলেনি।
পরিবারের দাবি, অনিল বিশ্বাসকে পরিকল্পিত খুন করা হয়েছিল। ওই হত্যাকে দুর্ঘটনা বলে চালানোর চেষ্টা চেষ্টা হচ্ছে। ঘটনার নেপথ্যে থাকা আসল দোষীদের আড়াল করতেই পুলিশ গড়িমসি করছে বলেও দাবি এলাকার বাসিন্দাদের।
তবে এই নিয়ে কোনও মন্তব্য করতে চাননি এলাকার পুলিশ আধিকারিকরা।