ফাস্টট্যাগের নামে বড় প্রতারণা! সতর্ক করল প্রশাসন, সামান্য ভুলে হতে পারে বড় ক্ষতি
প্রতিদিন | ২৪ এপ্রিল ২০২৬
ফাস্টট্যাগের নামে বড়সড় প্রতারণার ছক নিয়ে সতর্ক করল ন্যাশনাল হাইওয়ে অথরিটি অফ ইন্ডিয়া। জনস্বার্থে জারি এক বিজ্ঞপ্তিতে সকলকে জানানো হয়েছে, জাল বার্ষিক পাসের নামে ফাঁদ পাতা হচ্ছে। অনলাইন কেলেঙ্কারি আজকের দিনে নতুন নয়। এই পরিস্থিতিতে এবার ফাস্টট্যাগ নিয়েও সতর্ক করল প্রশাসন।
সেই বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে, প্রতারকরা জাল ওয়েবসাইট ও নকল লিঙ্ক শেয়ার করে ফাস্টট্যাগ বার্ষিক পাস বিক্রির ফাঁদ পাতছে। কিন্তু এই পাস কেবল মাত্র রাজমার্গযাত্রা অ্যাপ থেকেই লভ্য। অন্য সমস্ত প্ল্যাটফর্ম, যারা এই পাস বিক্রি করতে চাইছে সেগুলির কোনওটিই কর্তৃপক্ষ অনুমোদিত নয়। ফাঁদে পা দিলে আর্থিক ক্ষতির মুখে পড়তে হবে। অথবা ইউজারের ব্যক্তিগত তথ্য হাতিয়ে নিয়ে তাকে কোনও অন্য উপায়ে ফাঁদে ফেলতে পারে প্রতারকরা।
জানানো হয়েছে, এমন সব নকল ওয়েবসাইট তৈরি করা হয়েছে, যা দেখতে হুবহু আসল পোর্টালের মতোই। সার্চ ইঞ্জিন অপ্টিমাইজেশন কৌশলের মাধ্যমে এই প্রতারণামূলক প্ল্যাটফর্মগুলো প্রায়শই সার্চ ইঞ্জিনের ফলাফলের একেবারে শীর্ষে প্রদর্শিত হয়। ফলে অনায়াসেই ফাঁদে পড়তে পারেন ইউজাররা। সেই কারণেই আগাগোড়া সতর্ক থাকতে হবে।
এই ধরনের ওয়েবসাইটে এবার ঢুকলেই ইউজারদের মোবাইল নম্বর, গাড়ির রেজিস্ট্রেশন সংক্রান্ত তথ্য ও অন্যান্য সংবেদনশীল তথ্য চাওয়া হয়। ওয়েবসাইটের ইন্টারফেসটি দেখতে সম্পূর্ণ আসল মনে হয়। ফলে একবার টাকা দিলেই প্রতারকদের নিয়ন্ত্রণে থাকা ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টে তা চলে যায়। অথচ ইউজাররা হাতে পাওয়া ভুয়ো রশিদ পেয়েই ভাবেন তাঁরা সঠিক রশিদ পেলেন। প্রতারিত হওয়ার বিষয়টি বুঝতে প্রায়শই অনেক সময় লেগে যায়।
যাত্রীদের সুবিধার কথা ভেবে গত বছরের আগস্ট মাসে ফাস্টট্যাগ বার্ষিক পাস চালু হয়। নিয়মিতভাবে জাতীয় সড়কে চলাচল করে এমন গাড়ির চালকদের সুবিধার কথা ভেবেই এই পাস চালু করা হয়। এক্ষেত্রে অতিরিক্ত শুল্ক এড়ানো সম্ভব হয়। নয়া এই ফাস্টট্যাগ বার্ষিক পাসের বৈধতা একবছর। শুধু তাই নয়, একজন চালক এর মাধ্যমে সর্বাধিক ২০০ টোল প্লাজা ব্যবহার করতে পারবেন।