‘কোনও শিক্ষিত ভদ্রলোক বিজেপি করে না’, জগৎবল্লভপুরে দাঁড়িয়ে তোপ অভিষেকের
প্রতিদিন | ২৪ এপ্রিল ২০২৬
যাঁরা বিজেপি করেন, তাঁরা মানুষ হিসাবে মোটেও ভালো হন না। দ্বিতীয় দফার ভোটের আগে হাওড়ার জগৎবল্লভপুরের সভা থেকে বিজেপিকে এভাবেই কড়া আক্রমণ তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের। এই বিধানসভা কেন্দ্রে তৃণমূল প্রার্থীকে ৫০ হাজারের বেশি ভোটে জেতাতে হবে বলে লক্ষ্যমাত্রা স্থির করে দিলেন তিনি।
শুক্রবার অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় কার্যত হুমকির সুরে বলেন, “আগামী ৪ তারিখের পর হিসাব হবে।” বিজেপিকে আক্রমণ করে তিনি বলেন, “চোরেরা, ডাকাতেরা, ধর্ষকেরা অপরাধ করে আগে জেলে যেত। এখন বিজেপিতে যায়। আপনার এলাকায় কোনও ভদ্র, সভ্য, শিক্ষিত, মার্জিত লোক বিজেপি করে। যত চোর, চিটিংবাজ, বেইমান, পাতাখোর, গদ্দার সব বিজেপি।”
সরাসরি বিজেপি প্রার্থীকে তোপ দেগে অভিষেক আরও বলেন, “যার বিরুদ্ধে অভিযান চালিয়ে পুলিশ আগ্নেয়াস্ত্র উদ্ধার করে। ৪ বছর আগে মামলা হয়। সেই গোবিন্দ হাজরা বিজেপির প্রার্থী। জগৎবল্লভপুরে বিজেপি প্রার্থী তৃণমূলের আবর্জনা। আমরা ময়লার বালতিতে ফেলছি। অমিত শাহ কুড়িয়ে আনছে। আপনারা কেন এক্সপায়ার্ড মালগুলোকে ভোট দেবেন? যেগুলো তৃণমূল ফেলে দিচ্ছে, সেগুলো বিজেপি নিয়ে জগাখিচুড়ি তৈরি করছে। খেলে পেটখারাপ হবে।”
আগামী নির্বাচনে বিজেপিকে ৫০ হাজারের বেশি ভোটে জেতাতে হবে বলে লক্ষ্য়মাত্রাও বেঁধে দেন তিনি। অভিষেকের ভবিষ্যদ্বাণী, “আমি সচরাচর ভবিষ্যদ্বাণী করি না। কিন্তু যখন করি, তখন সেটা মেলে। ২০২১ সালেও মিলেছিল, ২০২৪ সালেও মিলেছে আর এই ২০২৬ সালেও মিলবে।” প্রথম দফার ভোট শেষ হওয়ার পর বিজেপির অন্দরে ‘ছটফটানি’ শুরু হয়েছে বলেও কটাক্ষ করেন তিনি। তাঁর দাবি, হার নিশ্চিত বুঝেই এখন গেরুয়া শিবিরের নেতারা সাংবাদিকদের ফোন করে খবর চালানোর অনুরোধ করছেন। যদিও বাংলায় ভোটপ্রচার এসে ‘আত্মবিশ্বাসী’ নরেন্দ্র মোদির দাবি, তৃণমূল বেশ কয়েকটি জায়গায় খাতাই খুলতে পারবে না।