ভোটের আগের দিনই অ্যাকশন মোডে যোগীরাজ্যের IPS অজয় পাল শর্মা। ভোটের মধ্যে গন্ডোগোল পাকাতে পারে, ভোটারদের হুমকি দিয়ে পারে কিংবা ভয় দেখাতে পারে, এমন সন্দেহভাজনদের তালিকা নিয়ে ডায়মন্ড হারবারে পৌঁছে গিয়েছেন এই এনকাউন্টার স্পেশালিস্ট।
এদিন, দুপুরে অজয় পাল শর্মা পৌঁছে যান ফলতার TMC প্রার্থী জাহাঙ্গির খানের অফিসের সামনে। সঙ্গে ছিল সাঁজোয়া গাড়ি এবং প্রচুর সংখ্যক কেন্দ্রীয় বাহিনী। তারপরই সেখানে পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে ওঠে। বিক্ষোভ দেখাতে শুরু করেন তৃণমূলের কর্মীরা।
পৌঁছন জাহাঙ্গির খানও। তিনি বলেন, 'এভাবে ধমকানো চমকানো যাবে না। ভয় দেখানো হচ্ছে। এ মাটি জোড়াফুলের মাটি।'
এলাকায় কনফিডেন্স বিল্ডিংয়ের চেষ্টা করেন অজয় পাল শর্মা। কারা ভোটারদের ভয় দেখাচ্ছে, তা খুঁজে বের করতে নামের তালিকা নিয়ে কেন্দ্রীয় বাহিনীকে নিয়ে গ্রামে গ্রামে ঘুরছেন উত্তরপ্রদেশের এই 'সিংঘম অফিসার।'
জাহাঙ্গির খানের অভিযোগ, 'রাত ৩টের সময়ে আমার অফিসের সামনে এসেছিল। আমার নিরাপত্তারক্ষীকে ধমকানোর চেষ্টা করেছে, গ্রেফতারের হুমকি দিয়েছে। আমি বেরিয়ে চিৎকার করায় ওরা বেরিয়ে আমার বাড়ির কাছে যায়। আমার বাড়ির লোক এবং এলাকায় ধমকানোর চেষ্টা করেছে। বড় বড় ডায়লগ দিয়েছে। একটা পুলিশ পর্যবেক্ষক কখনও কারও বাড়ি গিয়ে ধমকাতে পারেন না। ওঁর এক্তিয়ার নেই, কমিশনের এমন কোনও নিয়ম নেই। আইনের ঊর্ধ্বে উঠে BJP-কে মদত দেওয়ার জন্য এ ভাবে ধমকানো চমকানোর চেষ্টা করছে।' তাঁর সংযোজন, 'আমরা মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়, অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের সৈনিক। আমরা গণদেবতার কাছে মাথা নত করব, কোনও দিল্লির দালালের কাছে নত হব না। ফলতায় BJP-র পায়ের তলায় মাটি নেই। বুথে লোক বসানোর খমতা নেই। যত ওরা ধমকাবে, তত তৃণমূলের নেতা-কর্মীরা শক্তিশালী হবে।'