দ্বিতীয় দফার ভোটের (West Bengal Assembly Election 2026) ঠিক আগে ফের বড়সড় পদক্ষেপ করল নির্বাচন কমিশন (Election Commission of India)। সোমবার রাতে বীরভূম ও দক্ষিণ ২৪ পরগনার অতিরিক্ত জেলাশাসককে সমস্ত নির্বাচনী দায়িত্ব থেকে সরিয়ে দেওয়া হলো। তবে কেন এই সিদ্ধান্ত তা জানা যায়নি।
রাত পোহালেই শুরু হবে দ্বিতীয় দফার ভোটগ্রহণ। তার কয়েক ঘণ্টা আগে এই নির্দেশিকা জারি করা হয়। বর্তমানে দক্ষিণ ২৪ পরগনার অতিরিক্ত জেলাশাসকের দায়িত্ব সামলাচ্ছেন ভাস্কর পাল। আর বীরভূমের অতিরিক্ত জেলাশাসক হলেন সৌভিক ভট্টাচার্য। দু’জনকেই ভোটের দায়িত্ব থেকে পুরোপুরি সরিয়ে দেওয়া হয়েছে।
এই ঘোষণার কিছুক্ষণ আগে ফলতার যুগ্ম বিডিও সৌরভ হাজরাকেও সরিয়ে দিয়েছে কমিশন। তাঁকে পাঠিয়ে দেওয়া হয়েছে পুরুলিয়ায়। এই ফলতাতেই তৃণমূল প্রার্থী জাহাঙ্গির শেখের বাড়িতে গিয়ে হুমকি দেওয়ার অভিযোগ উঠেছিল দক্ষিণ ২৪ পরগনার পুলিশ পর্যবেক্ষক অজয় পাল শর্মার বিরুদ্ধে। তাঁর বিরুদ্ধে FIR দায়ের করেছেন ফলতার এক গৃহবধূও। এই নিয়ে উত্তপ্ত হয়ে রয়েছে গোটা জেলা। তার মধ্যেই একের পর এক পদক্ষেপ নির্বাচন কমিশনের।
উল্লেখ্য দ্বিতীয় দফায় দক্ষিণবঙ্গের ৭টি জেলার ১৪২টি আসনে ভোটগ্রহণ হবে। এই তালিকায় রয়েছে পূর্ব বর্ধমান, হুগলি, হাওড়া, কলকাতা, উত্তর ও দক্ষিণ ২৪ পরগনা এবং নদিয়া। এ দিন রাতে সাংবাদিক সম্মেলনে ভোটারদের আশ্বস্ত করে রাজ্যের মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিক মনোজ কুমার আগরওয়াল বলেছেন, ‘নিজের ভোট নিজে গিয়ে দিন। কেউ কোনও ক্ষতি করতে পারবে না। পুরো প্রশাসন তৎপর।’