দ্বিতীয় দফায় রাজ্যের ১৪২টি আসনে সন্ধ্যা ৬টা পর্যন্ত ভোট পড়ল ৯১.৪৭ শতাংশ। সর্বাধিক ভোট পড়েছে পূর্ব বর্ধমান জেলায় ৯৩.৪২ শতাংশ। এর পরেই রয়েছে দক্ষিণ ২৪ পরগনায় ৯১.৫৪ শতাংশ, হুগলিতে ৯১.৪২ শতাংশ, নদিয়া ৯১.৩৮ শতাংশ, কলকাতা উত্তরে ৮৮.৯৩ শতাংশ, সবথেকে কম কলকাতা দক্ষিণে ৮৭.২৮ শতাংশ। যদিও প্রথম দফায় সন্ধ্যা ছয়টার পরে ভোট শতাংশ ছিল ৯২ শতাংশের সামান্য বেশি।
দুই দফাতেই এ বার রেকর্ড সংখ্যক ভোট পড়তে দেখল গোটা বাংলা। প্রায় ৯১ লক্ষ ভোটারের নাম বাদ যাওয়ার পরে ভোটের শতাংশ স্বাভাবিক নিয়মে বেশি হওয়ার কথা ছিল। সেটা হয়েছেও। রাজনৈতিক মহলের একাংশ বলছেন, SIR হওয়ার পরের ভোট দেওয়ার প্রবণতা বেশি দেখা গিয়েছে মানুষের মধ্যে। এর পাশাপাশি প্রাতিষ্ঠানিক বিরোধিতার বিষয়টিকেও গুরুত্ব দিয়েছেন রাজনৈতিক মহলের একাংশ। সব মিলিয়ে প্রথম দফায় ভোট পড়েছিল ৯৩.১৯ শতাংশ। এর মধ্যে কোচবিহার জেলায় ভোট পড়ে ৯৬.২ শতাংশ।
আসনভিত্তিক ভোট শতাংশ অনুযায়ী, সর্বাধিক ভোট পড়ছে হাড়োয়া আসনে, প্রায় ৯৬.৪৬ শতাংশ। এর পরে রয়েছে পূর্ব বর্ধমানের আউসগ্রাম আসন। ভোট পড়েছে ৯৫.১১ শতাংশ। পূর্ব বর্ধমানের জামালপুর আসনে ৯৪.৭০ শতাংশ ভোট পড়েছে। সবথেকে কম ভোট পড়ছে যে কয়টি আসনে, তার মধ্যে একটি হলো ‘হাইভোল্টেজ’ ভবানীপুর বিধানসভা। সন্ধ্যায় ছয়টা পর্যন্ত ভোট পড়েছে ৮৬.৪৫ শতাংশ। এ ছাড়াও রাজারহাট গোপালপুর কেন্দ্রে কেন্দ্রে ভোট পড়েছে ৮৪.৮৯ শতাংশ। দ্বিতীয় দফায় এই কেন্দ্রেই সবথেকে কম ভোট পড়েছে। এর পাশাপাশি দক্ষিণ ২৪ পরগনার যাদবপুর কেন্দ্রে ভোট পড়েছে ৮৬.৬ শতাংশ, উত্তর কলকাতা কেন্দ্র চৌরঙ্গীতে ভোট পড়েছে ৮৬.৫২ ও জোঁড়াসাঁকো কেন্দ্রে ৮৬.৫৫ শতাংশ।
উল্লেখ্য, এ দিন সকালে বেশ কিছু কেন্দ্রে ‘স্লো ভোটিং’ করার অভিযোগ উঠেছে। মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় নিজেও এই অভিযোগ তোলেন। তবে বেলা ১১টার মধ্যে প্রায় ৪০ শতাংশ ভোট পড়ে যায় ১৪২টি কেন্দ্রে। পশ্চিমবঙ্গে দ্বিতীয় দফায় রাজ্যে মোট ৪১,০০১টি বুথে ভোটগ্রহণ হবে। মোট প্রার্থীর সংখ্যা ১,৪৪৮, যার মধ্যে পুরুষ প্রার্থীর সংখ্যা ১,২২৮ জন এবং মহিলা প্রার্থীর সংখ্যা ২২০ জন্য। মোট ভোটারের ৩ কোটি ২১ লক্ষ ৭৫ হাজার ২৯৯ জন।