স্ট্রংরুমের ভিতর ইভিএম কারচুপির অভিযোগ তুলে যে ভিডিয়ো সোশ্যাল মিডিয়ায় ভাইরাল হয়েছে। সেই ভিডিয়ো নিয়ে মুখ খুলেছে নির্বাচন কমিশন।
নির্বাচনের কমিশনের তরফে জানানো হয়েছে, ক্ষুদিরাম অনুশীলন কেন্দ্রের ভিতরে সাতটি বিধানসভার স্ট্রং রুম রয়েছে। সবকটিই নিয়ম মেনে বন্ধ রয়েছে। কমিশন জানিয়েছে, ভোটগ্রহণের পরে সব স্ট্রংরুম প্রার্থী এবং তাঁদের নির্বাচনী এজেন্টের সামনেই সিল করা হয়েছে। উপস্থিত ছিলেন সাধারণ অবজ়ার্ভারও। কমিশন জানিয়েছে, স্ট্রংরুমগুলিতে ভোট দেওয়ার কাজে ব্যবহৃত ইভিএম রয়েছে এবং সেগুলি সুরক্ষিত রয়েছে।
নির্বাচন কমিশন জানিয়েছে, ওই চৌহদ্দির ভিতরেই আরও একটি স্ট্রংরুমে পোস্টাল ব্যালট রাখা হয়েছে। সেখানে অন্য বিধানসভার পোস্টাল ব্যালটের বাক্সগুলি রাখা হয়েছিল। বিকেল ৪টে থেকে স্ট্রংরুমের করিডরে পোস্টার ব্যালটের পৃথকীকরণ হচ্ছিল। সেগুলি তাদের নির্দিষ্ট জায়গায় পৌঁছনোর কাজ ছিল। এই কাজের বিষয়ে প্রার্থী ও তাঁদের নির্বাচনী এজেন্টদের জানানোর জন্য RO-দের বলা হয়েছিল। কমিশন জানিয়েছে, RO-রা রাজনৈতিক দলগুলিকে সে কথা জানিয়েছিল। মূল স্ট্রংরুমগুলি নিরাপদ রয়েছে বলে জানানো হয়েছে দলের প্রার্থীদের।
রাজ্য সিইও অফিসের তরফে ফেসবুক লাইভ করে গোটা অভিযোগকে নস্য়াৎ করেছে। সব কিছু নিয়ম মেনেই করা হয়েছে বলে জানিয়েছে সিইও অফিস। সিইও মনোজ আগরওয়াল জানিয়েছেন, দলের প্রার্থীরা এসে দেখে গিয়েছেন যে স্ট্রংরুম নিরাপদ রয়েছে। সব খবর দেওয়ার পরেও সময়ের মধ্যে কেউ এসে না পৌঁছলে, নিয়ম মেনে কাজ তো হবেই, জানালেন মনোজ আগরওয়াল।
স্ট্রংরুমে ক্যামেরা লাগানো হয়েছে। তার ফিড বাইরে যাচ্ছে। সেই ফিড লাইভ চলছিল বাইরে। কোনও গন্ডগোলের জায়গাই নেই বলে জানিয়েছে রাজ্যের সিইও অফিস। তৃণমূলের অভিযোগ ছিল, সাড়ে তিনটা থেকে ৪টার মধ্যে সিসিটিভিতে মুভমেন্ট দেখা গিয়েছে। রাজ্যের সিইও মনোজ আগরওয়াল বললেন, ‘৪টে থেকে কাজ শুরুর কথা ছিল। তার আগে থেকেই তো মুভমেন্ট হবে। কাজ শুরুর আগে মুভমেন্ট তো হবেই। সিসিটিভি ছিল বলেই তো দেখতে পেল। লুকোনোর তো কোনও বিষয় নেই।’
তৃণমূলের তরফে ভিডিয়ো পোস্ট করে অভিযোগ করা হয়েছিল, স্ট্রংরুমে ভিতরে বহিরাগতরা ঢুকেছে। ইভিএম-এর কারচুপির আশঙ্কা করে ক্ষুদিরাম অনুশীলন কেন্দ্রের বাইরে পৌঁছে যান শশী পাঁজা-সহ উত্তর কলকাতায় একাধিক বিধানসভা কেন্দ্রের তৃণমূল প্রার্থীরা।