নিজস্ব প্রতিনিধি, নয়াদিল্লি: কংগ্রেস মুখপাত্র পবন খেরাকে কি গ্রেপ্তার করা হবে? নাকি মিলবে আগাম জামিন? উভয়পক্ষের শুনানি শেষে বৃহস্পতিবার রায় স্থগিত রাখল সুপ্রিম কোর্ট। অসমের বিদায়ী মুখ্যমন্ত্রী হিমন্ত বিশ্বশর্মা নির্বাচনি হলফনামায় স্ত্রী রিনিকি সম্পর্কে অনেক কিছু গোপন করেছেন। সম্প্রতি সাংবাদিক সম্মেলনে এমনই অভিযোগ করেছিলেন খেরা। রিনিকির একাধিক পাসপোর্ট, বিদেশে বেনামি ব্যবসা রয়েছে বলেও অভিযোগ করেন তিনি। পালটা হিমন্ত মামলা করেন। গুয়াহাটি হাইকোর্ট খেরার আগাম জামিনের আবেদন খারিজ করে দেয়।
সেই নির্দেশ চ্যালেঞ্জ করেই সুপ্রিম কোর্টে এসেছেন খেরা। এদিন তাঁর সওয়াল করেন আইনজীবী অভিষেক মনু সিংভি। অন্যদিকে, অসম সরকারের হয়ে কেন্দ্রের সলিসিটর জেনারেল তুষার মেহতা। হিমন্তর বিরুদ্ধে অশ্রাব্য ভাষা ব্যবহারের অভিযোগ করে সিংভি শুনানিতে নিজেদের পক্ষে নেওয়ার চেষ্টা করেন। বলেন, মুখ্যমন্ত্রীর মতো সাংবিধানিক পদে বসেও খেরার বিরুদ্ধে হিমন্ত এমন ভাষা ব্যবহার করেছেন, যা মুখে আনার যোগ্য নয়।
সিংভি বলেন, একজন সাংবিধানিক পদাধিকারী যে এরকম ভাষা ব্যবহার করতে পারেন, তা জানতে পারলে হয়ত সংবিধান প্রণেতা বি আর আম্বেদকরও কবর থেকে উঠে আসতেন। সিংভি আরো বলেন, খেরার বিরুদ্ধে এমন কিছু ধারা লাগানো হয়েছে, যা জামিন যোগ্য। তাই তাঁকে গ্রেপ্তার করে অসম্মান করার কোনো অর্থ হয় না। যদিও তুষার মেহতা আগামী জামিনের বিরোধিতা করে বলেন, রিনিকি শর্মার নামে সম্পূর্ণ মিথ্যে অভিযোগ করেছেন খেরা। তাই তো তিনি পালিয়ে বেড়াচ্ছেন। কেন পালিয়ে বেড়াচ্ছেন? তবে বিচারপতি জে কে মহেশ্বরী এবং বিচারপতি এ এস চান্দুরকরের বেঞ্চ উভয়পক্ষের শুনানি শেষে রায় স্থগিত রেখেছে। এখন অপেক্ষার, কী হয় রায়? কবে হয়?