সংবাদদাতা, পুরাতন মালদহ: মালদহ বিধানসভা কেন্দ্রে ১০টি অঞ্চল এবং পুরাতন মালদহ পুরসভা মিলিয়ে ২ লক্ষ ৩১ হাজার ৩৪৯ জন ভোটার। তার মধ্যে ২ লক্ষ ১৮ হাজার ৯০৪ জন এবার ভোট দিয়েছেন। অর্থাত্, ৯৪ শতাংশ ভোট পড়েছে। এই কেন্দ্রে এবার মূল লড়াই বিদায়ী বিধায়ক তথা বিজেপির গোপাল সাহা সঙ্গে তৃণমূলের লিপিকা বর্মন ঘোষের।
শহর এবং গ্রামের একাধিক বুথ ঘুরে দেখা গিয়েছে, বেশিরভাগ ভোটার বাড়ি থেকে বেরিয়ে কারও সঙ্গে তেমন কথা না বলে ভোট দিয়ে ফিরে গিয়েছেন। রাজনৈতিক দলের ক্যাম্প ও নেতাকর্মীদের সঙ্গে সেভাবে কথা বলতে দেখা যায়নি তাঁদের। এই ‘সাইলেন্ট’ ভোটারদের নিয়েই মালদহ আসনে জয়ের স্বপ্ন দেখছে তৃণমূল। শাসক দলের দাবি, অনেকে এসআইআর নিয়ে আতঙ্কিত ছিলেন। অতীতেও বিজেপি সরকার বারবার তাঁদের লাইনে দাঁড় করিয়েছে। তাই চুপচাপ তাঁরা তৃণমূলকেই ভোট দিয়েছেন।
মালদহে এবার ১ লক্ষ ৯ হাজার ৭৩৪ জন মহিলা ভোট দিয়েছেন। তার মধ্যে ৫০ হাজার জন লক্ষ্মীর ভাণ্ডার প্রকল্পের সুবিধা পান। অনেকে রূপশ্রী, কন্যাশ্রীর সুবিধা পেয়েছেন। তাঁদের ভোট বেশিরভাগ তৃণমূলের ঝুলিতে পড়েছে বলে দাবি নেতাকর্মীদের। এবার সেই ভোটের ভরসা নিয়ে তৃণমূল এই কেন্দ্রে জয় নিয়ে আশাবাদী।
তৃণমূলের জেলা সহ সভাপতি নবরঞ্জন সিনহা বলেন, আমাদের প্রার্থী মহিলা। মহিলাদের জন্য মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় অনেক সুবিধা দিয়েছেন। আমাদের বিশ্বাস, তাঁরা এবার আমাদের আশীর্বাদ করেছেন।
নবরঞ্জনের দাবি, শহরের ২,৭,১৯ নম্বর ওয়ার্ডে অনেকে হিন্দুর ভোটারের নাম তালিকায় নেই। কোনো পরিবারের পাঁচ সদস্য, তাঁদের দু’জনের নাম ডিলিট। এমন ক্ষুব্ধ পরিবারের ভোট আমরা পেয়েছি। সাইলেন্ট ভোট আমাদের পক্ষেই গিয়েছে।
এদিকে বিজেপির দাবি, সাইলেন্ট ভোট তাদের দিকেই এসেছে। দলের উত্তর মালদহের সম্পাদক সুজিত দাসের বক্তব্য, আমাদের দল ক্ষমতায় এলে তিন হাজার টাকা করে দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দিয়েছে। তাই মহিলাদের ভোট আমরাই পেয়েছি। বিজেপি অনেক লিড নিয়ে মালদহ আসনে জিতবে।