জিএসটি হ্রাসের সুফল মেলেনি, দাম বেড়েছে খাদ্যপণ্য ও ওষুধের
বর্তমান | ০১ মে ২০২৬
নয়াদিল্লি: ঢাক ঢোল পিটিয়ে গত সেপ্টেম্বরে জিএসটি সরলীকরণ করেছিল কেন্দ্র। বেশ কয়েকটি পণ্যের জিএসটি কমানো হয়। এরপর ছ’মাস অতিক্রান্ত। দেখা যাচ্ছে, সরলীকরণের ফলে সাধারণ মানুষের তাতে কোনো সুরাহাই হয়নি। গাড়ি, এসির দাম কমেছে উল্লেখযোগ্যভাবে। তবে খাদ্যপণ্যের দাম অনেকটাই বেড়েছে। জিএসটি কমানো সত্ত্বেও ওষুধের দাম ০.৩ শতাংশ বেড়েছে। এমন উদ্বেগজনক পরিস্থিতিই ধরা পড়েছে ব্যাংক অব বরোদার সমীক্ষায়। ব্যাংকের ইকনমিক রিসার্চ ডিপার্টমেন্টের পক্ষে আগস্ট থেকে মার্চ পর্যন্ত ক্রেতা মূল্য সূচক (সিপিআই) যাচাই করে এই রিপোর্ট তৈরি করা হয়েছে। উৎসবের মরশুম শুরুর আগে জিএসটি সরলীকরণের ফলে আশা করা হয়েছিল, এতে পণ্যের খুচরো মূল্য কমবে। ক্রেতার ক্রয় ক্ষমতা বাড়বে। দেখা যাচ্ছে, বেশ কয়েকটি ক্ষেত্রে ক্রেতারা এর সুবিধা থেকে বঞ্চিত হয়েছে।
খাদ্য পণ্যের ক্ষেত্রে জিএসটির মিশ্র প্রভাব দেখা গিয়েছে। দুধের দাম বেড়েছে ১ শতাংশ। মাখনের দাম বেড়েছে ০.৬ শতাংশ। তৈরি খাবারের দাম বেড়েছে ০.৯ শতাংশ। অন্যদিকে, আইসক্রিমের দাম ১.২ শতাংশ কমেছে। ফলের রসের দাম ০.৪ শতাংশ কমেছে। চা পাতার দাম কমেছে ০.৯ শতাংশ। রিপোর্টে বলা হয়েছে, কাঁচামাল এবং সরবরাহের খরচ বেড়ে যাওয়ায় জিএসটি ছাড়ের সুরাহা না মেলায় ডেয়ারি পণ্য মহার্ঘ হয়েছে।
অথচ গৃহস্থালির ব্যবহৃত পণ্যের দাম উল্লেখযোগ্যভাবে কমেছে। এসির দাম কমেছে ৫.৯ শতাংশ। কাপড়কাচার মেশিনের দাম কমেছে ২.২ শতাংশ। গিজারের দাম কমেছে ১.১ শতাংশ। কমেছে মিক্সার, আয়রন এবং টোস্টারের দাম। জুতোর দাম কমেছে ১.৪ শতাংশ। তবে আসবাবপত্রে দাম ১ শতাংশ এবং কার্পেটের দাম ১ শতাংশ বেড়েছে। পোশাকের দাম বেড়েছে ১.৪ শতাংশ।