ভোট মিটলেও ভয়ে সিঁটিয়ে ভাঙড়! বুধবার রাত থেকেই চাপা উত্তেজনা ছিল ভাঙড়ের একাধিক এলাকায়। বৃহস্পতিবার রাত হতেই মাথা চাড়া দিয়েছে হিংসার আগুন। তৃণমূল কর্মীর দোকানে আগুন ধরিয়ে দেওয়ার অভিযোগ আইএসএফের বিরুদ্ধে। কৃষ্ণমাটি এলাকায় আইএসএফ ও তৃণমূলের মধ্যে সংঘর্ষে বোমাবাজির অভিযোগ। এলাকায় মোতায়েন বাহিনী ও পুলিশ।
বৃহস্পতিবার রাতে ভাঙড় থানার নলমুড়ি এলাকায় রাতের অন্ধকারে তৃণমূল কর্মীর দোকান আগুনে পুড়িয়ে দেওয়ার অভিযোগ ওঠে। তৃণমূলের অভিযোগের তীর নওশাদের দল আইএসএফের বিরুদ্ধে। দোকানের মালিক মহিবুল মোল্লা বলেন, “আমি তৃণমূল করি। রাজনৈতিক প্রতিহিংসার জেরেই আইএসএফের লোকজন আমার দোকানে আগুন লাগিয়ে দিয়েছে।” অভিযোগ উড়িয়ে আইএসএফ নেতার দাবি করেন, ঘটনার সঙ্গে তাদের কোনও যোগ নেই।
অন্যদিকে ভোটের পরেই ভাঙড়ের কৃষ্ণমাটি এলাকায় আইএসএফ-তৃণমূলের সংঘর্ষে তুমুল উত্তেজনা। স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, বৃহস্পতিবার রাতে এলাকায় দফায় দফায় বোমাবাজি হয়েছে। ঘটনাস্থলে ছড়িয়ে ছিটিয়ে পড়তে থাকতে দেখা যায় বোমার সুতলি। সংঘর্ষের জেরে এলাকায় বাইকও ভাঙচুর করা হয়েছে বলে অভিযোগ। খবর পেতেই ঘটনাস্থলে পৌঁছে যায় পবিজয়গঞ্জ থানার পুলিশ। পরিস্থিতি সামাল দিতে এলাকায় মোতায়েন বাহিনী। বোমাবাজির ঘটনায় জড়িত সন্দেহে ইতিমধ্যেই এলাকার বেশ কয়েকজনকে আটক করেছে পুলিশ। প্রশাসন সূত্রে খবর, রাত থেকে অশান্ত ভাঙড়ে সকাল থেকেই পরিস্থিতি থমথমে। ভোটের ফল প্রকাশের পর নতুন করে উত্তেজনার আতঙ্কে ভুগছেন স্থানীয়রা।
প্রসঙ্গত, ভোট পরবর্তী হিংসা রুখতে এবার আগাম সতর্ক কমিশন। অশান্তি হলেও অ্যাকশন নেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়ছে। দ্বিতীয় দফার ভোট মিটতে না মিটতেই যেখানে অশান্তির ঘটনা, সেখানে বাড়তি নজরদারি। অভিযুক্তদের গ্রেপ্তার করারও নির্দেশ দিয়েছে কমিশন। ভোটপর্বের মতোই অশান্তিতে জিরো টলারেন্স নীতিতেই প্রশাসনকে নজরদারি চালাতে বলেছে সিইও দপ্তর।