• ভোটে বাধা, ব্যাপক মারধরের অভিযোগ, উত্তপ্ত ফলতায় অবরোধ বিজেপির
    এই সময় | ০১ মে ২০২৬
  • ভোটের পরেও উত্তপ্ত ফলতা। বিজেপি সমর্থকদের উপর হামলা ও মারধরের অভিযোগে জাতীয় সড়ক অবরোধ করে বিক্ষোভ দেখানো হলো শুক্রবার। দক্ষিণ ২৪ পরগনার ফলতা বিধানসভা এলাকার বঙ্গনগর ২ নম্বর পঞ্চায়েতের হাশিমনগর এলাকার ঘটনা। স্থানীয় বাসিন্দাদের অভিযোগ, ২৯ এপ্রিল বেছে বেছে ওই এলাকার বাসিন্দাদের একটা অংশকে ভোট দিতে দেওয়া হয়নি। যদিও অভিযোগ অস্বীকার করেছে শাসকদল।

    স্থানীয় বাসিন্দাদের অভিযোগ, ওই এলাকায় তৃণমূলের এক পঞ্চায়েত প্রধানের নেতৃত্বে হামলা করা হয়েছে। ভোটের আগে শাসানোও হয়েছে বলে অভিযোগ। স্থানীয় বাসিন্দাদের একাংশের অভিযোগ, ২০২১ সালের বিধানসভা নির্বাচনেও একইরকম ভাবে বাধা দেওয়া হয়েছিল। সেই একই ঘটনার পুনরাবৃত্তি এ বারেও হয়েছে। স্থানীয় বাসিন্দারা জানাচ্ছেন, ভোট না দেওয়ার পরেও অভিযুক্তরা এসে তাঁদের মারধর করেছে। এরপরেই ১১৭ নম্বর জাতীয় সড়ক অবরোধ করে বিক্ষোভে সামিল হন এলাকাবাসী।

    ঘটনাস্থলে আসেন ফলতার বিজেপি প্রার্থী দেবাংশু পণ্ডা। তিনিও একই অভিযোগ করেন। অভিযুক্ত প্রধানকে গ্রেপ্তার করার দাবি করেন তিনি। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে ফলতা থানার পুলিশ ও কেন্দ্রীয় বাহিনী মোতায়েন করা হয়। বিক্ষোভকারীদের সঙ্গে আলোচনায় বসে প্রশাসন এবং তাদের নিরাপত্তার আশ্বাস দেওয়া হয়েছে। তারপরে অবরোধ তুলে নেওয়া হয়।

    ফলতার তৃণমূল প্রার্থী জাহাঙ্গির খান। এই ফলতাতেই পুলিশ পর্যবেক্ষক রয়েছেন অজয়পাল শর্মা। এই দুই জনের মধ্যে ভোটের আগে থেকেই চাপানউতোর দেখা গিয়েছে। ফলতা বিধানসভার বেশ কিছু বুথে, ইভিএম-এ বিজেপির ও অন্য বিরোধী দলের প্রতীকে টেপ সাঁটিয়ে রাখার অভিযোগ উঠেছিল। রাজ্য নির্বাচন কমিশন সূত্রের খবর, দ্বিতীয় দফায় যে যে বুথে পুনর্নিবাচনের দাবি উঠেছে। তার মধ্যে বড় একটি অংশ ফলতা বিধানসভা এলাকার বুথ।

    এর সঙ্গে তৃণমূলের কারও কোনও সম্পর্ক নেই বলে জানিয়েছেন ইসরাফিল সর্দার। খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে গিয়েছেন বিশেষ পুলিশ পর্যবেক্ষক অজয় পাল শর্মা।

  • Link to this news (এই সময়)