রাজ্যের একাধিক বুথে পুনর্নির্বাচনের ঘোষণা করল নির্বাচন কমিশন। মগরাহাট পশ্চিম ও ডায়মন্ড হারবার বিধানসভা কেন্দ্রের বেশ কয়েকটি বুথে পুর্ননির্বাচনের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। ২ মে, শনিবার এই বুথগুলিতে পুনর্নির্বাচন হবে।
নির্বাচন কমিশনের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, ২৯ এপ্রিলের ভোটে অনিয়মের অভিযোগে দক্ষিণ ২৪ পরগনা জেলার দুটি বিধানসভা কেন্দ্রের কয়েকটি বুথে পুনর্নির্বাচন হচ্ছে।
১৪২ নম্বর মগরাহাট পশ্চিম (Magrahat Paschim) বিধানসভা
উত্তর ইয়ারপুর প্রাথমিক বিদ্যালয় (রুম ২), নজরা প্রাথমিক বিদ্যালয় (রুম ১ ও ২), দেউলা প্রাথমিক বিদ্যালয় (রুম ১), ঘোলা নয়াপাড়া গার্লস হাই মাদ্রাসা (রুম ২), একতারা মালয়া প্রাথমিক বিদ্যালয় (রুম ১ ও ২), একতারা মালয়া ধোড়া প্রাথমিক বিদ্যালয় (রুম ১), বাহিরপুয়া কুরকুরিয়া প্রাথমিক বিদ্যালয় (রুম ১, ২, ৩)।
১৪৩ নম্বর ডায়মন্ড হারবার (Diamond Harbour) বিধানসভা
বাগদা জুনিয়র হাই স্কুল, চাঁদা প্রাথমিক বিদ্যালয় (রুম ২), হরিদেবপুর প্রাথমিক বিদ্যালয়, রায়নগর প্রাথমিক বিদ্যালয় পুনর্নির্বাচন হবে।
দ্বিতীয় দফার নির্বাচনে বেশ কয়েকটি বুথে ইভিএমে বিকৃতির অভিযোগ উঠেছিল। এই বুথগুলির বিষয়ে খোঁজ নিতে দেশের মুখ্য নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) জ্ঞানেশ কুমার বৃহস্পতিবার ফোন করেছিলেন রাজ্যের CEO মনোজ আগরওয়াল ও রাজ্যে নিযুক্ত বিশেষ নির্বাচনী পর্যবেক্ষক সুব্রত গুপ্তকে। ওই বুথগুলিতে স্ক্রুটিনি করার নির্দেশ দেওয়া হয়। ডায়মন্ড হারবার, ফলতা, মগরাহাটের সংশ্লিষ্ট বুথগুলিতে স্ক্রুটিনি করেন সুব্রত গুপ্ত। উল্লেখ্য, দক্ষিণ ২৪ পরগনার ৭৭টি বুথে কোথাও ইভিএমে সেলোটেপ, কোথাও ব্ল্যাকটেপ, আবার কোথাও আতর লাগানোর অভিযোগ ওঠে। তার মধ্যে ফলতার ৩২, ডায়মন্ড হারবারের ২৯, মগরাহাটের ১৩ ও বজবজের ৩টি আসনে ইভিএম বিকৃতির অভিযোগ এসেছিল।
ইভিএম বিকৃতি ছাড়াও বেশ কয়েকটি বুথে ভোটাররা মোবাইল নিয়ে প্রবেশ করেছিলেন এবং ভোট চলাকালীন ছবি, রিলস ভিডিয়ো বানানোর অভিযোগ উঠেছিল। সেগুলিও খতিয়ে দেখে কমিশন। বিভিন্ন অভিযোগের ভিত্তিতেই কমিশনের তরফে এই বুথগুলিতে পুনর্নির্বাচনের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।
উল্লেখ্য, সূত্রের দাবি, ডায়মন্ড হারবারের ৪ টি, মগরাহাট পশ্চিমের ৮-১০টি, ফলতার ২০-২২টি- সব মিলিয়ে ৩২-৩৬টি বুথে রিপোলের প্রস্তাব পাঠানো হয়। আজ, শুক্রবার সকালেই নির্বাচন কমিশনের কাছে রিপোর্ট পৌঁছে গিয়েছিল বলে জানা গিয়েছে।