শাশ্বত বন্দ্যোপাধ্যায়: ইন্টারনেটের দুনিয়ায় এক বিরাট চমক আসছে। এর নাম ইন্টারনেট অব সেন্সেস। সুইডিশ টেলিকম জায়ান্ট এরিকসন এই গবেষণায় বর্তমানে বিশ্বজুড়ে নেতৃত্ব দিচ্ছে। তাঁদের কনজিউমার ল্যাব এই অদ্ভুত প্রযুক্তি নিয়ে দিনরাত কাজ করে যাচ্ছে। শুধু চোখ আর কান নয়, এবার জিভ আর নাকও ইন্টারনেটে জড়িয়ে যাবে। স্ক্রিনের ওপারে থাকা খাবারের স্বাদ আর গন্ধ পাওয়া যাবে অনায়াসেই। এই অসাধ্য সাধনে নাম লিখিয়েছে ফিনল্যান্ড, চীন আর জাপানের মতো দেশগুলোও। মূলত ৬জি প্রযুক্তির হাত ধরে এই বিশাল বিপ্লব আসতে চলেছে। সেন্সর আর কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা হবে এই ব্যবস্থার আসল মেরুদণ্ড। ডিজিটাল জগৎ আর বাস্তবের দেওয়াল এবার ভেঙে চুরমার হয়ে যাবে। হ্যাপটিক টেকনোলজির মাধ্যমে ছোঁয়া যাবে একদম অদৃশ্য সব বস্তুকে। বিশ্বের বড়ো বড়ো টেক জায়ান্টরা এখন এই প্রজেক্টে কোটি কোটি ডলার ঢালছে। ২০৩০ সালের মধ্যে মানুষ একদম নতুন এক জমানায় পা দেবে বলে মনে করা হচ্ছে। সেখানে যন্ত্রই মানুষের আসল অনুভূতিকে নিয়ন্ত্রণ করবে। এক রহস্যময় ভবিষ্যতের দিকে তরতরিয়ে এগিয়ে যাচ্ছে পৃথিবী। তখন বাস্তব আর মায়ার তফাৎ করা তখন একদম অসম্ভব হয়ে দাঁড়াবে। এই মায়াজাল এখন কেবল সময়ের অপেক্ষা মাত্র। মানব সভ্যতার ইতিহাসে এক রোমাঞ্চকর অধ্যায় শুরু হতে চলেছে। এক অদ্ভুত ডিজিটাল রোমাঞ্চের অপেক্ষায় প্রহর গুনছে এখন পুরো পৃথিবী। সব বাধা পেরিয়ে মানুষের জয়জয়কার শুরু হবে এই নতুন দিগন্তে। প্রযুক্তির এই জোয়ারে মানুষ এবার সব সীমানা ছাড়িয়ে যাবে। এক রোমাঞ্চকর আর যান্ত্রিক ভবিষ্যতের পথে সগৌরবে এগিয়ে চলছে আজকের সভ্যতা। কৃত্রিমতা হার মানবে পরম বাস্তবের কাছে। অনুভূতির এক নতুন মহাকাশ তৈরি হচ্ছে ল্যাবরেটরিতে। রহস্যময় এই জগৎ এখন দরজায় কড়া নাড়ছে। পৃথিবীটা তখন কেবল হাতের মুঠোয় নয়, বরং ইন্দ্রিয়ের নাগালে চলে আসবে।