প্রযুক্তির সঠিক ব্যবহার জানা গুরুত্বপূর্ণ’ : অপরাজিতা আঢ্য
বর্তমান | ০২ মে ২০২৬
নতুন ছবি ‘প্রত্যাবর্তন’ নিয়ে আড্ডায় অভিনেত্রী অপরাজিতা আঢ্য।
প্রাণখোলা হাসি, স্পষ্ট কথার মানুষ। এভাবেই অপরাজিতা আঢ্যকে চেনেন দর্শক। আজ শুক্রবার মুক্তি পেল সমর্পণ সেনগুপ্ত পরিচালিত ‘প্রত্যাবর্তন’। সেখানে এক মায়ের চরিত্রে অভিনয় করেছেন অপরাজিতা। তাঁর চরিত্রের নাম ‘শালিনী’। অপরাজিতা নিজে আদ্যোপান্ত পরিবারকেন্দ্রিক মানুষ। শালিনীও তেমনই। দীর্ঘদিনের অভিজ্ঞতার ফলে চরিত্রটি তৈরি করার ক্ষেত্রে আলাদা করে কোনো প্রস্তুতি নিতে হয়নি বলে জানালেন অপরাজিতা। তাঁর কথায়, ‘এই চরিত্রটা একটু অন্য ধাঁচের হলেও খুব চেনা চরিত্র। এর আগেও মায়ের চরিত্রে অভিনয় করার ফলে, কোনো অসুবিধা হয়নি।’
‘প্রত্যাবর্তন’ সমাজ এবং সামাজিক মাধ্যমের সত্যিটা সামনে নিয়ে আসে। অপরাজিতা মনে করেন, সামাজিক মাধ্যম ছাড়া বর্তমান জীবন অচল। ২০২০ পর্যন্ত অপরাজিতার সমাজমাধ্যমে কোনও অ্যাকাউন্ট ছিল না। এরপর প্রচুর ভুয়ো অ্যাকাউন্টের দৌরাত্ম্য নিজে সামাজিক মাধ্যমে সক্রিয় হন। তাঁর কাছে সামাজিক মাধ্যম মানে রোজই নতুন কিছু না কিছু শেখা। হেসে বললেন, ‘এখনও পর্যন্ত জেনারেশনের গণ্ডি পেরিয়ে সব কিছুর সঠিক ব্যবহার শিখে উঠতে পারিনি। তবে প্রযুক্তির সঠিক ব্যবহার জানাটা গুরুত্বপূর্ণ।’
শিকড়ের সঙ্গেই থাকতে ভালোবাসেন অপরাজিতা। তাঁর জীবনেও এই সিনেমার নামের মতই প্রত্যাবর্তনের গল্প রয়েছে। অসুস্থ মাকে যিনি সেবা যত্ন করতেন, টানা দু’বছর সুপারভাইজারের পদে থাকা সেই ‘রানি’র সঙ্গে পরবর্তীতে দাদার বিয়ে দেন অপরাজিতা। রানির ইচ্ছে এবং সকলের সম্মতিতেই তাঁকে নিজের পরিবারের একজন করে নেন অভিনেত্রী। তাঁর কথায়, ‘রানি দিদি সম্পূর্ণভাবে আমার মা। শুধু মায়ের মতো মেজাজটা নেই।’ বাবা, মা চলে যাওয়ার পর বাপের বাড়ি যাওযার ইচ্ছে একেবারে চলে গিয়েছিল অপরাজিতার। এই ঘটনার পর সেই বাড়িতেই যেন তাঁর আবার ‘প্রত্যাবর্তন’ হল।