ঘুষ নিতে গিয়ে ধরা পড়েছিলেন এক সরকারি আধিকারিক। সেই ঘটনায় দোষী সাব্যস্ত হওয়ায় হাইকোর্ট তাঁর বিরুদ্ধে সাজা ঘোষণাও করেছিল। যে টাকা ঘুষ হিসেবে তিনি নিয়েছিলেন, তা বাজেয়াপ্ত করেছিলেন তদন্তকারীরা। সেই টাকা নাকি ইঁদুরে কেটে নষ্ট করেছে। এর পরেই দেশের শীর্ষ আদালত জামিন দিয়েছে ওই মহিলা আধিকারিককে।
১০ হাজার টাকা ঘুষের মামলায় দোষী সাব্যস্ত হওয়া এক সরকারি আধিকারিককে জামিন দিয়েছে সুপ্রিম কোর্ট। ২০২৬ সালের ২৪ এপ্রিল সুপ্রিম কোর্ট ওই মহিলা আধিকারিকের সাজা স্থগিত রাখে এবং তাঁকে জামিন দেয়।
এই বিষয়টি নিয়েই বিস্ময় প্রকাশ করেছে সুপ্রিম কোর্ট। আদালত জানিয়েছে, যদি বাজেয়াপ্ত করা টাকা সঠিক ভাবে সংরক্ষণ না করা হয়, তাহলে এই ধরনের ঘটনা ভবিষ্যতেও ঘটতে পারে। এতে সরকারের আর্থিক ক্ষতি হতে পারে।
এই মামলার অভিযুক্তের নাম কুমারী। তিনি আধিকারিক শিশুকল্যাণ প্রকল্পের আধিকারিক হিসেবে কর্মরত ছিলেন। তাঁর বিরুদ্ধে ১০ হাজার টাকা ঘুষ নেওয়ার অভিযোগ ওঠে।
প্রথমে নিম্ন আদালত তাঁকে বেকসুর খালাস দেয়। কিন্তু পরে পাটনা হাইকোর্ট সেই রায় খারিজ করে তাঁকে দোষী সাব্যস্ত করে। পাটনা হাইকোর্ট তাঁকে ৪ বছরের সশ্রম কারাদণ্ড দেয়। পাশাপাশি আরও একটি ধারায় ৩ বছরের জেল হয়।
এর পরেই সুপ্রিম কোর্টে আবেদন করেন ওই আধিকারিক। সেখানে শুনানির সময় জানা যায়, বাজেয়াপ্ত করা ঘুষের টাকা আর খুঁজে পাওয়া যাচ্ছে না। অভিযোগ, ইঁদুর সেই টাকা নষ্ট করে দিয়েছে। এর জেরে আদালতে বাজেয়াপ্ত করা টাকা পেশ করা সম্ভব হয়নি।
এই পরিস্থিতিতে সুপ্রিম কোর্ট তাঁর সাজা স্থগিত রাখে এবং তাঁকে জামিন দেয়। তবে মামলাটি এখনও শেষ হয়নি। পরবর্তী শুনানিতে এই বিষয়ে বিস্তারিত আলোচনা হবে।