• ‘স্ট্রংরুমে ঢুকে পোস্টাল ব্যালট...’, ক্ষুদিরাম অনুশীলনের রিটার্নিং অফিসারের বিরুদ্ধে কমিশনে অভিযোগ তৃণমূলের
    এই সময় | ০২ মে ২০২৬
  • স্ট্রংরুম ঘিরে বিতর্কের মধ্যে এ বার ক্ষুদিরাম অনুশীলনের কেন্দ্রের রিটার্নিং অফিসারের বিরুদ্ধে নির্বাচন কমিশনে অভিযোগ করল তৃণমূল। বাংলার শাসক দলের অভিযোগ, বিনা ‘অনুমতি’তে যে ভাবে পোস্টাল ব্যালট নিয়ে ঘাঁটাঘাটি হয়েছে, তা নজরে রেখে অবিলম্বে পদক্ষেপ করতে হবে কমিশনকে। তৃণমূলের এই অভিযোগ নিয়ে কমিশনের তরফে অবশ্য এখনও কোনও আনুষ্ঠানিক বিবৃতি মেলেনি।

    বৃহস্পতিবার বিকেল থেকে কয়েকটি জায়গায় ইভিএমের নিরাপত্তা নিয়ে প্রশ্ন তুলতে শুরু করে তৃণমূল। কসবায় একটি স্ট্রংরুমে সিসিটিভি অচল করে রাখার অভিযোগ করা হয় দলের তরফে। ইভিএমে কারচুপির চেষ্টা হচ্ছে, এই অভিযোগ তুলে দলীয় কর্মীদের নিয়ে ক্ষুদিরাম অনুশীলন কেন্দ্রে গিয়েছিলেন শ্যামপুকুরের তৃণমূল প্রার্থী শশী পাঁজা। গিয়েছিলেন বেলেঘাটার তৃণমূল প্রার্থীও। পরে সেখানে যান মানিকতলা ও চৌরঙ্গির দুই বিজেপি প্রার্থী তাপস রায় এবং সন্তোষ পাঠকও। দু’তরফের উপস্থিতিতে ‘জয় শ্রীরাম’ ও ‘জয় বাংলা’ স্লোগান ঘিরে সেখানকার পরিস্থিতি উত্তপ্তও হয়ে ওঠে।

    বেলেঘাটার তৃণমূল প্রার্থীর বক্তব্য ছিল, ‘না জানিয়ে কেন স্ট্রংরুম খোলা হয়েছে? তা ছাড়া, ওখানে পোস্টাল ব্যালট গোছানোর কাজ হলেও তা গোপনে হবে কেন?’ বিজেপির তাপসের পাল্টা প্রশ্ন, ‘তৃণমূল প্রার্থীরা এত লোক নিয়ে এখানে আসবেন কেন?’ বেশ কিছু ক্ষণ ধরে হইহট্টগোলের পর কমিশনের প্রতিনিধিদের আশ্বাসে পরিস্থিতি শান্ত হলে দু’পক্ষই সেখান থেকে বেরিয়ে যান।

    বৃহস্পতিবার রাতে রাজ্যের মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিক মনোজ আগরওয়াল সাংবাদিকদের জানান, ক্ষুদিরাম অনুশীলন কেন্দ্রের স্ট্রংরুমে বৃহস্পতিবার পোস্টাল ব্যালট বাছাইয়ের কাজ হওয়ার কথা ছিল আগে থেকেই। সেখান থেকে জেলার বেশ কিছু এলাকার পোস্টাল ব্যালট আলাদা করে বারাসত যাবে। তার পরে সেগুলি নির্দিষ্ট স্থানে পাঠানো হবে। এই বিষয়টি আগেই সব রাজনৈতিক দলকে জানানো হয়েছিল। তাদের প্রতিনিধিদেরও থাকতে বলা হয়েছিল। সিইও দাবি করেছিলেন, পুরো প্রক্রিয়াই স্বচ্ছ ভাবে হয়েছে। এই ভাবে বিভ্রান্তি ছড়ানো খুব দুর্ভাগ্যজনক। সেই ঘটনা নিয়েই আবার কমিশনে গেল তৃণমূল।

  • Link to this news (এই সময়)