রাজ্য শেষ হয়েছে দুই দফার বিধানসভা নির্বাচন। আগামী ৪ মে হবে নির্বাচনের ফলপ্রকাশ। রাজ্যের বিভিন্ন গণনাকেন্দ্রেও ইতিমধ্যেই পৌঁছে গিয়েছে EVM। কড়া নিরাপত্তার চাদরে মুড়ে ফেলা হয়েছে সমস্ত গণনাকেন্দ্র। কমিশনের নির্দেশে স্ট্রং-রুমের মধ্যে ২৪ ঘণ্টা সিসিটিভির ব্যবস্থাও করা হয়েছে। কিন্তু, ভোটগণনার আগেই এ বার বারাসত গভর্নমেন্ট কলেজের স্ট্রং-রুমে সিসিটিভি বন্ধ হয়ে যাওয়ার অভিযোগ উঠল। এই কলেজেই বারাসত, দেগঙ্গা, অশোকনগর এবং হাবড়া বিধানসভা কেন্দ্রের ভোট গণনার হবে।
শনিবার সকালে অশোকনগরের তৃণমূল কংগ্রেস প্রার্থী নারায়ণ গোস্বামী অভিযোগ করেন, স্ট্রং রুমের সিসিটিভি বেশ কিছুক্ষণের জন্য বন্ধ হয়ে গিয়েছিল। অশোকনগরের প্রার্থীর অভিযোগ, শনিবার সকাল ৮:০৫ থেকে ৮:২২ পর্যন্ত সিসিটিভির আউটপুট মনিটর বন্ধ ছিল। ঘটনার খবর পেয়েই বারাসত কলেজের গণনা কেন্দ্রে আসেন প্রার্থী। তিনি বলেন, ‘বিষয়টি আমি অশোকনগরের রিটার্নিং অফিসার, ইলেকশন ইনচার্জ, ADM এবং DM-এর কাছে এই বিষয়ে নিয়ে অভিযোগ জানিয়েছি।’
নারায়ণ জানান, অবজার্ভার তাঁকে জানিয়েছেন দু’ঘণ্টার মধ্যে এই ঘটনার রিপোর্ট দেবেন। প্রসঙ্গত, শুক্রবারই নারায়ণ জানিয়েছিলেন, গণনা কেন্দ্রের স্ট্রংরুমের সিসিটিভি এক মুহূর্তের জন্যও বন্ধ হলে কড়া ব্যবস্থা নেবেন তিনি। বৃহত্তর আন্দোলনও করবেন। সেই কথার সুর টেনেই নারায়ণ বলেন, ‘সন্তোষজনক উত্তর’ না পেলে পরবর্তী পদক্ষেপ নিয়ে ভাবা হবে।
যদিও, এ নিয়ে নির্বাচন কমিশনের তরফে জানানো হয়েছে, কেন্দ্রের সিসিটিভি মনিটরটি বন্ধ হয়ে গিয়েছিল। তবে স্ট্রংরুমের ভিতরের ক্যামেরা চালু ছিল। রেকর্ডিংও হয়েছে। ঘটনাস্থলে উত্তেজনা বৃদ্ধি পাওয়ায় বিশাল কেন্দ্রীয় বাহিনী নিয়ে উপস্থিত হন SDPO। ঘটনায় রাজনৈতিক উত্তেজনা ছড়ালেও পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রয়েছে বলে জানিয়েছে প্রশাসন। কী ভাবে ওই মনিটর বন্ধ হয়ে গেল, তা ক্ষতিয়ে দেখা হচ্ছে। কোনও যান্ত্রিক ত্রুটি নাকি ইচ্ছাকৃত বন্ধ করে দেওয়া হয়েছিল মনিটরটি, তাও তদন্ত করে দেখা হচ্ছে।