দক্ষিণ ২৪ পরগনার একাধিক বুথে পুনর্নির্বাচন ঘিরে উত্তেজনা। তৃণমূল কর্মীদের বিরুদ্ধে ভোটারদের ভয় দেখানো এবং ভোট দিতে বাধা দেওয়ার অভিযোগ তুলল বিজেপি। শনিবার ডায়মন্ড হারবার এবং মগরাহাট পশ্চিম বিধানসভা কেন্দ্রের ১৫টি বুথে পুনর্নির্বাচন চলছে। দুপুর ১টা পর্যন্ত ভোটদানের হার ৫৫.৫৭ শতাংশ।
শনিবার সকাল থেকেই কয়েকটি বুথের বাইরে বিক্ষিপ্ত অশান্তি শুরু হয়। বিজেপির অভিযোগ, তৃণমূলের কর্মীরা ভোটারদের ভয় দেখানোর চেষ্টা করেছেন। এমনকি কিছু জায়গায় ভোটারদের বুথে যেতে বাধাও দেওয়া হয়েছে বলে দাবি বিরোধী শিবিরের। যদিও তৃণমূল এই সমস্ত অভিযোগ অস্বীকার করেছে।
এরপর কমিশন গণপ্রতিনিধিত্ব আইন, ১৯৫১-এর ৫৮(২) ধারায় ভোট বাতিল করে পুনর্নির্বাচনের সিদ্ধান্ত নেয়। উল্লেখ্য, এই ধারায় কমিশন কোনও বুথে গুরুতর গড়মিল বা হিংসার অভিযোগ প্রমাণিত হলে পুনর্ভোটের নির্দেশ দিতে পারে।
রাজনৈতিকভাবে ফলতা এবং ডায়মন্ড হারবার কেন্দ্র অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ বলে মনে করা হচ্ছে। কারণ, ফলতা কেন্দ্রে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের ঘনিষ্ঠ জাহাঙ্গির খান প্রার্থী। সেই কারণে এই বিতর্ককে কেন্দ্র করে ক্রমেই বাড়ছে রাজনৈতিক তরজা।
পশ্চিমবঙ্গের মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিক Manoj Agarwal জানিয়েছেন, যেখানে অনিয়ম প্রমাণিত হবে, সেখানেই কঠোর পদক্ষেপ নেওয়া হবে। নির্বাচন প্রক্রিয়ায় কোনও ধরনের গাফিলতি বরদাস্ত করা হবে না বলেও স্পষ্ট জানিয়েছেন তিনি। কমিশনের ‘জ়িরো টলারেন্স’ নীতির কথাও তুলে ধরেন মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিক।
তিনি আরও জানিয়েছেন, প্রাথমিক তদন্তে ভোট শুরুর আগে বা মক পোলের সময় কোনও গড়মিল ধরা পড়েনি। ফলে ভোট চলাকালীনই EVM-এ কারচুপির চেষ্টা হয়ে থাকতে পারে বলে অনুমান করা হচ্ছে। কমিশনের নিয়ম অনুযায়ী, EVM-এর বোতামে টেপ বা অন্য কোনও বস্তু লাগানো গুরুতর অপরাধ।