• ১২ ঘণ্টা পর মিলল ৩ দেহ, জম্মুতে ব্রিজের ধ্বংসস্তূপ থেকে উদ্ধার গুরুতর আহত এক শ্রমিক
    প্রতিদিন | ০৩ মে ২০২৬
  • জম্মুর বানতালাবের থুথের এলাকায় শুক্রবার একটি নির্মীয়মান সেতুর অংশ ভেঙে ধ্বংসস্তূপের নিচে আটকে পড়েছিলেন বহু শ্রমিক। ১২ ঘণ্টার দীর্ঘ তল্লাশি ও উদ্ধারকাজের পর ধ্বংসস্তূপের নিচ থেকে তিন শ্রমিকের মৃতদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। পাশাপাশি এক শ্রমিককে গুরুতর আহত অবস্থায় উদ্ধার করে হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। শনিবারই উদ্ধারকাজ শেষ হয়েছে। উল্লেখ্য, গতকাল ব্রিজ ভেঙে যাওয়ার পর এক শ্রমিককে আহত অবস্থায় উদ্ধার করে হাসপাতালে পাঠানো হয়েছিল। দুর্ঘটনার তদন্তের নির্দেশ দিয়েছেন উপমুখ্যমন্ত্রী সুরিন্দর কুমার চৌধুরী। পাঁচ দিনের মধ্যে তদন্ত শেষ করার নির্দেশ দেন তিনি।

    জানা গিয়েছে, গত বছর হড়পা বানে এই ব্রিজটি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছিল। শুক্রবার সেখানে কাজ করছিলেন কয়েকজন শ্রমিক। সেই সময় ব্রিজটি ভেঙে পড়ে। এর জেরে চারজন শ্রমিক ধ্বংসস্তূপের নিচে আটকে পড়েন। ঘটনার পরই পুলিশ, সেনাবাহিনী, জাতীয় বিপর্যয় মোকাবিলা বাহিনী (এনডিআরএফ), রাজ্য বিপর্যয় মোকাবিলা বাহিনী (এসডিআরএফ) এবং দমকল বিভাগ একসঙ্গে উদ্ধারকাজ শুরু করে। শুক্রবার প্রথমে তারসেম লাল নামে এক শ্রমিককে উদ্ধার করা হয়। তারপর বেশ কয়েকঘণ্টার অভিযানের পর তিনজন শ্রমিকের মৃতদেহ ও একজনকে আহত অবস্থায় উদ্ধার করে উদ্ধারকারী দল।

    এক সিনিয়র আধিকারিক জানান, শনিবার সকালে উদ্ধারকাজ শেষ হয়েছে। ঘটনাস্থল থেকে তিনজন শ্রমিকের দেহ উদ্ধার করা হয়েছে। বাকি দু’জন আহত অবস্থায় হাসপাতালে ভর্তি রয়েছেন। জানা গিয়েছে, উদ্ধারকাজ চলাকালীন দমকল বিভাগের ডিভিশনাল ফায়ার অফিসার মোহাম্মদ জাফর একটি পাথরের আঘাতে আহত হয়েছেন। আহতদের হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।

    ঘটনার খবর পেয়ে উপমুখ্যমন্ত্রী সুরিন্দর কুমার চৌধুরী রাতেই ঘটনাস্থলে পৌঁছন। তিনি সহকারী নির্বাহী ইঞ্জিনিয়ার এবং জুনিয়র ইঞ্জিনিয়ারকে সাসপেন্ড করার নির্দেশ দিয়েছেন। ঘটনার তদন্তের নির্দেশ দিয়েছেন তিনি। পাঁচ দিনের মধ্যে রিপোর্ট জমা দিতে বলা হয়েছে।

    এই দুর্ঘটনার তদন্তের জন্য সরকার ইতিমধ্যে তিন সদস্যের একটি তদন্ত কমিটি গঠন করেছে। পাবলিক ওয়ার্কস দপ্তরের সচিব (টেকনিক্যাল) পুরুষোত্তম কুমারের নেতৃত্বে এই কমিটি কাজ করবে। সুপারিন্টেন্ডিং ইঞ্জিনিয়ার অরিত গুপ্ত এবং এক্সিকিউটিভ ইঞ্জিনিয়ার রাজন মেঙ্গি এই কমিটির সদস্য।
  • Link to this news (প্রতিদিন)