• কোথাও যেন খামতি না থাকে! গণনাকে ‘ফুলপ্রুফ’ করতে প্রার্থীদের নিয়ে রুদ্ধদ্বার বৈঠকে সুনীল, ভূপেন্দ্ররা
    প্রতিদিন | ০৩ মে ২০২৬
  • বাংলার মসনদে কে? জানা যাবে ৪ মে। কার্যত প্রহর গুনছে গোটা রাজ্য। জনতার রায় কোনদিকে মোড় নেবে তা তো সময় বলবে। তবে তার আগেই ঘর সামলাতে মরিয়া পদ্মশিবির। শনিবার বিকেলে আসানসোলের একটি তিনতারা হোটেলে পুরুলিয়া বিভাগের চারটি সাংগঠনিক জেলার (বাঁকুড়া, বিষ্ণুপুর, আসানসোল ও পুরুলিয়া) প্রার্থীদের নিয়ে রুদ্ধদ্বার বৈঠকের আয়োজন করে বিজেপি। বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন দলের কেন্দ্রীয় পর্যবেক্ষক সুনীল বনসল, রাজ্য পর্যবেক্ষক ভূপেন্দ্র যাদব-সহ বঙ্গ বিজেপির নেতারা।

    আসানসোল দক্ষিণ কেন্দ্রের প্রার্থী তথা বিজেপি রাজ্য কমিটির সহ সভাপতি অগ্নিমিত্রা পাল জানান, “এই লড়াই কেবল সাধারণ নির্বাচন নয়, বরং একটি বিরাট যুদ্ধ।” বিজেপি সূত্রে খবর, গণনাকেন্দ্রের ভিতরে কী করণীয়, তার খুঁটিনাটি বোঝাতেই এই প্রশিক্ষণশালার আয়োজন করা হয়েছে। অগ্নিমিত্রা বলেন, “প্রার্থীর হাতে সার্টিফিকেট আসা পর্যন্ত গোটা গণনাপ্রক্রিয়া যেন সঠিকভাবে সম্পন্ন হয়, সেটাই আমাদের লক্ষ্য। আমরা একটি ফুলপ্রুফ মেকানিজম তৈরি করতে চাইছি।” এক্সিট পোল নিয়ে প্রশ্ন করা হলে তিনি জানান, “শুধুমাত্র এক্সিট পোলের ওপর নির্ভরশীল নই। গ্রাউন্ড লেভেল থেকে পাওয়া ফিডব্যাক অনুযায়ী নিশ্চিত যে বিজেপি-ই সরকার গঠন করছে।” অগ্নিমিত্রার দাবি, “পশ্চিমবঙ্গের মানুষ এবার দেখিয়ে দিয়েছে ভোট কীভাবে দিতে হয়।”

    ভোটগণনা সম্পর্কিত একাধিক নির্দেশিকা ও পরামর্শ দেওয়া হয় বৈঠকে। বিজেপির রাজ্য সহ-সভাপতি তথা সিউড়ির বিজেপি প্রার্থী জগন্নাথ চট্টোপাধ্যায় বলেন,”তৃণমূল হারতে চলেছে, তা এক্সিট পোলে বোঝা গেছে। তৃণমূল কংগ্রেস হেরে যাওয়ার আগে গণনা কেন্দ্রে কারচুপি করতে পারে। কি প্রতিষেধক দেওয়া হবে সেই নিয়েই এই বৈঠক।”

    এদিনের বৈঠকে ২৮ জন প্রার্থীর পাশাপাশি প্রতিটি জেলার ৫ জন করে প্রমুখ কার্যকর্তা ও পোলিং এজেন্টরাও উপস্থিত ছিলেন। ​ভোটের ময়দানের লড়াই শেষে এখন গণনাকেন্দ্রের প্রতিটি ইঞ্চিতেও জমি কামড়ে পড়ে থাকতে চাইছে পদ্ম শিবির। এই তৎপরতাই তার বহিঃপ্রকাশ বলে মনে করছে রাজনৈতিক মহলের একাংশ।
  • Link to this news (প্রতিদিন)