শনিবার সকাল থেকে দফায় দফায় উত্তেজনা ফলতায়। পুনর্নির্বাচনের চেয়ে রাস্তায় নেমে বিক্ষোভ দেখায় গ্রামবাসীদের একাংশ। এরপরেই ফলতার তৃণমূল প্রার্থী জাহাঙ্গির খান ঘনিষ্ঠ দু’জনকে গ্রেপ্তারের নির্দেশ নির্বাচন কমিশনের। আজ, শনিবারের মধ্যেই ইজরাফিল চকদার এবং সুজাউদ্দিন শেখকে গ্রেপ্তারের নির্দেশ কমিশন দিয়েছে বলে সূত্রের খবর। শুধু তাই নয়, ঘটনায় বিস্তারিত রিপোর্টও তলব করা হয়েছে বলে খবর।
ডায়মন্ড হারবার এবং মগরাহাট পশ্চিম, দুই বিধানসভার একাধিক বুথে পুনর্নির্বাচন চলছে। দুপুর ৩টে পর্যন্ত মোট ৭২.৪৩ শতাংশ ভোট পড়েছে। মগরাহাট পশ্চিমে ভোটদানের হার ৭২.৫০ শতাংশ। ডায়মন্ড হারবারে ভোট পড়েছে ৭২.৩৬ শতাংশ। কিন্তু পুনর্নির্বাচনের তালিকায় নেই ফলতায়। কমিশন সূত্রে খবর, এই বিধানসভার একাধিক বুথে অসঙ্গতি সামনে এসেছে। এরপরেই গোটা বিধানসভাতেই নতুন করে ভোটের নির্দেশ কমিশন দিতে পারে বলে খবর। এরমধ্যেই এদিন পুনর্নির্বাচন চেয়ে দফায় দফায় বিক্ষোভ দেখাতে শুরু করেন স্থানীয় মানুষজন।
বিক্ষোভকারীদের অভিযোগ, বাড়ি এসে হুমকি দেওয়া হচ্ছে। বিজেপিকে ভোট দেওয়ার জন্যেই নাকি এই হুমকি। শুধু তাই নয়, ঘটনায় নাম জড়ায় জাহাঙ্গির খানেরও। বিক্ষোভকারীদের দাবি, জাহাঙ্গির-ঘনিষ্ঠ ইজরাফিলের নেতৃত্বেই এই হুমকি দেওয়া হয়েছে। এরপরেই পুনর্নির্বাচনের চেয়ে বিক্ষোভ দেখাতে শুরু করেন ফলতার হাসিমনগর এলাকা।
এদিকে খবর পেয়েই ঘটনাস্থলে ছুটে যান ডায়মন্ড হারবার পুলিশ জেলার পুলিশ পর্যবেক্ষক অজয়পাল শর্মা। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে ফলতা থানার পুলিশ এবং কেন্দ্রীয় বাহিনী যায়। পুলিশ পর্যবেক্ষকের সামনেই বিক্ষোভে ফেটে পড়েন গ্রামবাসীরা। পুলিশের বিরুদ্ধেও তাঁরা অভিযোগ তোলেন। বিক্ষোভকারীদের দাবি, হুমকি দেওয়া হলেও পুলিশ কোনও ব্যবস্থা নেয়নি। ফলে ইজরাফিলকে গ্রেপ্তারের দাবি তোলেন তাঁরা। এরপরেই জাহাঙ্গির ঘনিষ্ঠ ইজরাফিল চকদার এবং সুজাউদ্দিন শেখকে গ্রেপ্তারের নির্দেশ কমিশনের।
অন্যদিকে ফলতার অশান্তি এবং গ্রামবাসীদের মারধরের ঘটনায় রিপোর্ট তলব করেছে নির্বাচন কমিশন। কেন এবং কীভাবে এই ঘটনা তা বিস্তারিত তথ্য তলব করা হয়েছে।