• ঘূর্ণিঝড়ে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি দেগঙ্গায়, দেওয়াল ভেঙে জখম ৮
    এই সময় | ০৩ মে ২০২৬
  • এই সময়, দেগঙ্গা: বৃহস্পতিবার রাতে মুষলধারে বৃষ্টি এবং ঘূর্ণিঝড়ে লণ্ডভণ্ড হয়ে গেল দেগঙ্গার একটি গ্রামের একাংশ। ঝড়ে ভেঙেচুরে গিয়েছে অনেক ঘরবাড়ি। নষ্ট হয়েছে ক্ষেতের ফসল। ভেঙে পড়া ঘরের নীচে চাপা পড়ে আহত হয়েছেন এক শিশু–সহ মোট আটজন বাসিন্দা। স্থানীয় পঞ্চায়েত এবং ব্লক প্রশাসনের তরফে ক্ষতিগ্রস্থ পরিবারগুলিকে সাহায্যের আশ্বাস দেওয়া হয়েছে।

    দেগঙ্গা ব্লকের আমুলিয়া পঞ্চায়েতের কলাপোল গ্রামের পালপাড়া এলাকায় কয়েকটি দরিদ্র পরিবারের বসবাস। কেউ ভ্যান চালান।কেউ আবার দিনমজুরের কাজ করেন। তাঁদের কারও টালির চাল উড়ে গিয়েছে। কারও আবার বাড়ির দেওয়াল ভেঙে পড়েছে।

    স্থানীয় গ্রামবাসীরা জানিয়েছেন, বৃহস্পতিবার রাতে শুরু হয় মুষলধারে বৃষ্টি। তার সঙ্গে ঝোড়ো হাওয়া বইছিল। রাত সাড়ে আটটা নাগাদ হঠাৎ ঘূর্ণিঝড় শুরু হয়। মাত্র ৩০ সেকেন্ড ঘূর্ণিঝড় স্থায়ী ছিল। আর তাতেই লণ্ডভণ্ড হয়ে যায় কোলাপল গ্রামের পালপাড়া এলাকা।

    ওই গ্রামের বাসিন্দা সুরজিৎ পাল বলেন, ‘সারাদিন ভ্যান চালিয়ে রাতে ঘরেই শুয়েছিলাম। ঝড়ে টালির চাল ভেঙে যায়। আমরা সবাই ঘরের ভিতরে চাপা পড়ে গিয়েছিলাম। কোনও রকমে ঘরের জানালা ভেঙে বাচ্চাদের উদ্ধার করেছি। এরপরে কোথায় থাকব, জানি না।’

    আমুলিয়া পঞ্চায়েতের প্রধান মহম্মদ ইমদাদুল হক ঝন্টু বলেন, পাঁচটি ঘর ভেঙে গিয়েছে। এক শিশু–সহ তিনজন জখম হয়েছেন।পঞ্চায়েত থেকে ব্লক প্রশাসনের সঙ্গে যোগাযোগ করেছি। আমরা ক্ষতিগ্রস্থ পরিবারের পাশে আছি। তাঁদের সরকারি সাহায্য দেওয়া হবে।’

    দেগঙ্গার বিডিও নাজমুল আরেফিন মিদ্যা বলেন, ‘ক্ষতিগ্রস্থ এলাকায় গিয়ে একটা প্রাথমিক ক্ষয়ক্ষতির রিপোর্ট তৈরি করে আমরা ব্লক থেকে জেলা স্তরে পাঠিয়েছি। জেলা থেকে যেমনটা জানানো হবে, সেই অনুযায়ী পদক্ষেপ করা হবে।’

  • Link to this news (এই সময়)