দিল্লির তরুণ বিচারক আমন কুমার শর্মার (৩৫) মৃত্যুর ঘটনায় চাঞ্চল্যকর তথ্য। বিচারকের পরিবারের দাবি, স্ত্রীর হেনস্থার জেরেই তিনি এই চরম সিন্ধান্ত নিতে বাধ্য হয়েছেন। পুলিশের প্রাথমিক তদন্তে অনুমান বিচারক আত্মঘাতী হয়ে থাকতে পারেন। তবে ঘটনাস্থল থেকে কোনও সুইসাইড নোট পাওয়া যায়নি। শনিবার সফদরজং এলাকায় নিজের ফ্ল্যাটের বাথরুম থেকে ঝুলন্ত দেহ উদ্ধার হয় বিচারকের। পুলিশ ইতিমধ্যেই দেহ ময়নাতদন্তের জন্য পাঠিয়েছে।
মৃত বিচারকের এক আত্মীয় জানিয়েছেন, বেশ কিছু দিন ধরে তরুণ বিচারক এবং তাঁর স্ত্রীর মধ্যে অশান্তি চলছিল। আমন কুমারের বাবা শুক্রবার আলওয়ার থেকে দিল্লি এসেছিলেন। ছেলের ফোন পেয়েই তিনি মধ্যরাতে দিল্লি পৌঁছন।
পুলিশ জানিয়েছে, বিচারক তাঁর বাবাকে জানিয়েছিলেন, গত দুই মাস ধরে তিনি প্রচণ্ড মানসিক চাপের মধ্যে রয়েছেন। আরও অভিযোগ, বিচারকের শ্যালিকাও স্বামী-স্ত্রীর ব্যক্তিগত বিষয়ে অহেতুক নাক গলাতেন। তবে ঘটনার সময়ে বাড়িতে বিচারকের স্ত্রী ও বাবা দুজনেই উপস্থিত ছিলেন।
শনিবার দুপুরে খবর পেয়ে পুলিশ দিল্লির সফদরজঙ্গ এলাকায় বিচারকে বাড়িতে পৌঁছয়। ফ্ল্যাটের বাথরুমের ভিতর থেকে ঝুলন্ত অবস্থায় তাঁর দেহ উদ্ধার করে পুলিশ। বিচারকের দেহ উদ্ধার করে হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হলে চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।
আমনের পরিবারের আরও দাবি, ঘটনার আগে বাড়ি থেকে চেঁচামেচি আওয়াজ মিলেছিল। আমনের স্ত্রী খুব জোরে চিৎকার করছিলেন বলেও দাবি। বিচারকের বাবা পুলিশকে জানিয়েছেন, তিনি অশান্তি থামানোর চেষ্টা করলেও সুরাহা হয়নি। উল্টে পুত্রবধূ তাঁকে পুলিশ ডাকার ভয় দেখান। তার পর থেকই আমনকে খুঁজে পাওয়া যাচ্ছিল না। শেষে শৌচাগারের ভিতর থেকে আমনের ফোনের রিংটোন শোনা যায়।