• হঠাৎ শাখাওয়াতের স্ট্রংরুমে ফিরহাদ, 'আরও বড় ব্যবধানে জিতবে তৃণমূল', দাবি মেয়রের
    আজ তক | ০৩ মে ২০২৬
  • ভোটগণনার আগের দিনই শাখাওয়াত মেমোরিয়াল স্কুলের (Sakhawat Memorial School) স্ট্রংরুম পরিদর্শনে এলেন ফিরহাদ হাকিম(Firhad Hakim)। রবিবার দুপুরে হঠাৎ হাজির হন পুরমন্ত্রী। সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে জানান, তৃণমূল কর্মীরা স্ট্রংরুমের বাইরে সর্বক্ষণ নজরদারি চালাচ্ছেন। সিসিটিভি-তে কড়া নজর রাখা হচ্ছে।

    ফলের আগে দলের জয় নিয়েও যথেষ্ট আত্মবিশ্বাসী ফিরহাদ। তাঁর দাবি, 'আগের থেকেও বেশি ব্যবধানে পশ্চিমবঙ্গে ক্ষমতায় ফিরবে তৃণমূল।' ভোটের ফল নিয়ে কোনও ভয় বা চাপ রয়েছে কি না, সেই প্রশ্নের উত্তরে ফিরহাদ বলেন, 'একদমই নয়। সারা বছর পড়াশোনা করলে রেজাল্টের দিন ভয় পাওয়ার কিছু থাকে না। তৃণমূল সারা বছর মানুষের পাশে থাকে। ভোটের দিন শুধু মানুষের কাছে তার প্রতিদান চাওয়া হয়।'

    আরও বলেন, 'যদি সারা বছর কিছু না করে হঠাৎ ভোট চাইতে যেতাম, তা হলে ভয় পাওয়ার কারণ থাকত।'

    উল্লেখ্য, ভোট শেষের পর থেকেই রাজ্যে EVM এবং পোস্টাল ব্যালট নিয়ে রাজনৈতিক তরজা শুরু হয়েছে। গত ১ মে প্রায় চার ঘণ্টা ধরে শাখাওয়াত মেমোরিয়াল স্কুলের স্ট্রংরুমে ছিলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় (Mamata Banerjee)। সেখানে দাঁড়িয়েই তিনি EVM কারচুপি এবং পোস্টাল ব্যালট নিয়ে গুরুতর অভিযোগ তোলেন।

    মমতার দাবি ছিল, বিভিন্ন গণনাকেন্দ্রে 'সন্দেহজনক গতিবিধি' লক্ষ্য করা গিয়েছে। তাঁর অভিযোগ, পোস্টাল ব্যালট 'এ দিক ও দিক' করা হচ্ছে। সেই কারণেই তিনি নিজে স্ট্রংরুমে গিয়ে পরিস্থিতি খতিয়ে দেখেন।

    শাখাওয়াত মেমোরিয়াল থেকে বেরিয়ে মুখ্যমন্ত্রী বলেন, 'এখানে আমার কেন্দ্রের EVM রয়েছে। অভিযোগ পেয়েই ছুটে এসেছি। তিন-চার ঘণ্টা ধরে সব দেখেছি।' তিনি আরও দাবি করেন, প্রথমে কেন্দ্রীয় বাহিনী তাঁকে ভিতরে ঢুকতে দিতে চায়নি। পরে প্রার্থী হিসাবে কমিশনের নিয়ম মেনে প্রবেশ করেন।

    মমতার অভিযোগ ছিল, কমিশনের নিয়ম অনুযায়ী প্রার্থী এবং তাঁর এজেন্টদের স্ট্রংরুমের বাইরে পর্যন্ত যাওয়ার অধিকার থাকলেও নানা ভাবে বাধা তৈরি করা হচ্ছিল। সেই সঙ্গে তিনি রাজ্য পুলিশের ভূমিকাতেও অসন্তোষ প্রকাশ করেন। তাঁর বক্তব্য, 'রাজ্য পুলিশ নিজেদের দায়িত্ব পালন করতে না পারলে সেটা তাদের ব্যর্থতা। এখন পুলিশ আর আমার হাতে নেই।'

    এ দিন মুখ্যমন্ত্রী আরও দাবি করেন, সাধারণ মানুষের ভোটে কারচুপির চেষ্টা হলে তিনি 'জীবন দিয়ে লড়বেন'। তাঁর কথায়, 'আমার এজেন্টদের হেনস্থা করা হয়েছে। তার পরেও যদি ভোট লুটের চেষ্টা হয়, তা হলে শেষ পর্যন্ত লড়াই চলবে।'

    শাখাওয়াত মেমোরিয়াল স্কুলের বাইরে বৃহস্পতিবার তৃণমূল এবং বিজেপি কর্মীদের স্লোগান-পাল্টা স্লোগানকে কেন্দ্র করে উত্তেজনাও ছড়ায়। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে মোতায়েন করা হয় কেন্দ্রীয় বাহিনী।

    তৃণমূলের আরও অভিযোগ, উত্তর কলকাতার Khudiram Anushilan Kendra-র স্ট্রংরুমেও পোস্টাল ব্যালট নিয়ে নিয়মভঙ্গ হয়েছে। যদিও জেলা নির্বাচনী আধিকারিক Smita Pandey জানিয়েছেন, সমস্ত কাজ কমিশনের নিয়ম মেনেই করা হয়েছে এবং রাজনৈতিক দলগুলিকে আগেই ইমেল করে জানানো হয়েছিল।

    ফল ঘোষণার আগে স্ট্রংরুমে নজরদারি আরও বাড়ানোর নির্দেশ দিয়েছে তৃণমূল নেতৃত্ব। সূত্রের খবর, প্রার্থীদের রাত জেগে পাহারা দেওয়ার নির্দেশও দেওয়া হয়েছে। এমনকি কেউ শৌচকর্মের জন্য বাইরে গেলে তাঁর জায়গায় অন্য কর্মী রাখার নির্দেশও দেওয়া হয়েছে।

    মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় স্ট্রংরুমের বাইরেও অতিরিক্ত সিসিটিভি এবং সাংবাদিকদের জন্য আলাদা পর্যবেক্ষণ ব্যবস্থার দাবি তুলেছেন। পাশাপাশি পাহারায় থাকা দলীয় কর্মীদের জন্য জল, খাবার এবং শৌচাগারের ব্যবস্থাও রাখতে বলা হয়েছে। 

    ভোটগণনার আগের দিনই শাখাওয়াত মেমোরিয়াল স্কুলের (Sakhawat Memorial School) স্ট্রংরুম পরিদর্শনে এলেন ফিরহাদ হাকিম(Firhad Hakim)। রবিবার দুপুরে হঠাৎ হাজির হন পুরমন্ত্রী। সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে জানান, তৃণমূল কর্মীরা স্ট্রংরুমের বাইরে সর্বক্ষণ নজরদারি চালাচ্ছেন। সিসিটিভি-তে কড়া নজর রাখা হচ্ছে।

    ফলের আগে দলের জয় নিয়েও যথেষ্ট আত্মবিশ্বাসী ফিরহাদ। তাঁর দাবি, 'আগের থেকেও বেশি ব্যবধানে পশ্চিমবঙ্গে ক্ষমতায় ফিরবে তৃণমূল।' ভোটের ফল নিয়ে কোনও ভয় বা চাপ রয়েছে কি না, সেই প্রশ্নের উত্তরে ফিরহাদ বলেন, 'একদমই নয়। সারা বছর পড়াশোনা করলে রেজাল্টের দিন ভয় পাওয়ার কিছু থাকে না। তৃণমূল সারা বছর মানুষের পাশে থাকে। ভোটের দিন শুধু মানুষের কাছে তার প্রতিদান চাওয়া হয়।'

    আরও বলেন, 'যদি সারা বছর কিছু না করে হঠাৎ ভোট চাইতে যেতাম, তা হলে ভয় পাওয়ার কারণ থাকত।'

    উল্লেখ্য, ভোট শেষের পর থেকেই রাজ্যে EVM এবং পোস্টাল ব্যালট নিয়ে রাজনৈতিক তরজা শুরু হয়েছে। গত ১ মে প্রায় চার ঘণ্টা ধরে শাখাওয়াত মেমোরিয়াল স্কুলের স্ট্রংরুমে ছিলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় (Mamata Banerjee)। সেখানে দাঁড়িয়েই তিনি EVM কারচুপি এবং পোস্টাল ব্যালট নিয়ে গুরুতর অভিযোগ তোলেন।

    মমতার দাবি ছিল, বিভিন্ন গণনাকেন্দ্রে 'সন্দেহজনক গতিবিধি' লক্ষ্য করা গিয়েছে। তাঁর অভিযোগ, পোস্টাল ব্যালট 'এ দিক ও দিক' করা হচ্ছে। সেই কারণেই তিনি নিজে স্ট্রংরুমে গিয়ে পরিস্থিতি খতিয়ে দেখেন।

    শাখাওয়াত মেমোরিয়াল থেকে বেরিয়ে মুখ্যমন্ত্রী বলেন, 'এখানে আমার কেন্দ্রের EVM রয়েছে। অভিযোগ পেয়েই ছুটে এসেছি। তিন-চার ঘণ্টা ধরে সব দেখেছি।' তিনি আরও দাবি করেন, প্রথমে কেন্দ্রীয় বাহিনী তাঁকে ভিতরে ঢুকতে দিতে চায়নি। পরে প্রার্থী হিসাবে কমিশনের নিয়ম মেনে প্রবেশ করেন।

    মমতার অভিযোগ ছিল, কমিশনের নিয়ম অনুযায়ী প্রার্থী এবং তাঁর এজেন্টদের স্ট্রংরুমের বাইরে পর্যন্ত যাওয়ার অধিকার থাকলেও নানা ভাবে বাধা তৈরি করা হচ্ছিল। সেই সঙ্গে তিনি রাজ্য পুলিশের ভূমিকাতেও অসন্তোষ প্রকাশ করেন। তাঁর বক্তব্য, 'রাজ্য পুলিশ নিজেদের দায়িত্ব পালন করতে না পারলে সেটা তাদের ব্যর্থতা। এখন পুলিশ আর আমার হাতে নেই।'

    এ দিন মুখ্যমন্ত্রী আরও দাবি করেন, সাধারণ মানুষের ভোটে কারচুপির চেষ্টা হলে তিনি 'জীবন দিয়ে লড়বেন'। তাঁর কথায়, 'আমার এজেন্টদের হেনস্থা করা হয়েছে। তার পরেও যদি ভোট লুটের চেষ্টা হয়, তা হলে শেষ পর্যন্ত লড়াই চলবে।'

    শাখাওয়াত মেমোরিয়াল স্কুলের বাইরে বৃহস্পতিবার তৃণমূল এবং বিজেপি কর্মীদের স্লোগান-পাল্টা স্লোগানকে কেন্দ্র করে উত্তেজনাও ছড়ায়। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে মোতায়েন করা হয় কেন্দ্রীয় বাহিনী।

    তৃণমূলের আরও অভিযোগ, উত্তর কলকাতার Khudiram Anushilan Kendra-র স্ট্রংরুমেও পোস্টাল ব্যালট নিয়ে নিয়মভঙ্গ হয়েছে। যদিও জেলা নির্বাচনী আধিকারিক Smita Pandey জানিয়েছেন, সমস্ত কাজ কমিশনের নিয়ম মেনেই করা হয়েছে এবং রাজনৈতিক দলগুলিকে আগেই ইমেল করে জানানো হয়েছিল।

    ফল ঘোষণার আগে স্ট্রংরুমে নজরদারি আরও বাড়ানোর নির্দেশ দিয়েছে তৃণমূল নেতৃত্ব। সূত্রের খবর, প্রার্থীদের রাত জেগে পাহারা দেওয়ার নির্দেশও দেওয়া হয়েছে। এমনকি কেউ শৌচকর্মের জন্য বাইরে গেলে তাঁর জায়গায় অন্য কর্মী রাখার নির্দেশও দেওয়া হয়েছে।

    মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় স্ট্রংরুমের বাইরেও অতিরিক্ত সিসিটিভি এবং সাংবাদিকদের জন্য আলাদা পর্যবেক্ষণ ব্যবস্থার দাবি তুলেছেন। পাশাপাশি পাহারায় থাকা দলীয় কর্মীদের জন্য জল, খাবার এবং শৌচাগারের ব্যবস্থাও রাখতে বলা হয়েছে।
  • Link to this news (আজ তক)