• অর্জুনের মুখে কেষ্ট-বাণী! বললেন, ‘উন্নয়নকে রাস্তায় দাঁড় করিয়ে গুড়-বাতাসা খাওয়াব’
    প্রতিদিন | ০৩ মে ২০২৬
  • বঙ্গভোটের একদা বেশ রঙ্গ জুড়েছিল ‘চড়াম-চড়াম’, ‘গুড়-বাতাসা’র মতো শব্দ। আপাতভাবে ভোটের সঙ্গে কোনও সম্পর্ক না থাকলেও এসব কথা অবিচ্ছেদ্যই হয়ে উঠেছিল। সৌজন্যে বীরভূমের দাপুটে তৃণমূল নেতা অনুব্রত মণ্ডল। তিনিই বলেছিলেন, গরমে ভোট, তাই ভোটারদের ঠান্ডা রাখতে গুড়-বাতাসা খাওয়াবেন। আর পুলিশের উদ্দেশে পরোক্ষে বার্তা দিয়েছিলেন, অযথা হয়রানি করলে ঢাকের বোলে চড়াম-চড়াম বাজবে। এর মর্মার্থ সকলেরই জানা। তবে ছাব্বিশের ভোটে সেই কেষ্ট-বাণী শোনা গেল বিপক্ষ শিবিরের গলায়! এবার বিজেপির ‘বাহুবলী’ প্রার্থী অর্জুন সিং বললেন, ‘‘উন্নয়নকে রাস্তায় দাঁড় করিয়ে গুড়-বাতাসা খাওয়াব।”

    ছাব্বিশের ভোটে নিজের গড় ভাটপাড়া থেকে নোয়াপাড়া থেকে লড়ছেন অর্জুন সিং। ভাটপাড়ায় বিজেপি প্রার্থী তাঁর ছেলে পবন সিং। নোয়াপাড়ায় অর্জুনের প্রতিদ্বন্দ্বী তৃণমূলের ছাত্রনেতা তৃণাঙ্কুর ভট্টাচার্য। যদিও রাজনীতির পাল্লা বলছে, এই কেন্দ্রে এগিয়ে অর্জুনই। ফলপ্রকাশের আগের দিন এনিয়ে প্রতিক্রিয়া দিতে গিয়ে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে বিজেপি প্রার্থীর মন্তব্য, ‘‘জয়ের উদযাপনে আমরা উন্নয়নকে রাস্তায় এনে দাঁড় করিয়ে গুড়-বাতাসা খাওয়াব।” এদিকে, তৃণমূলের সেনাপতি অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় বারবার বলেন, ”রেজাল্টের পর রবীন্দ্রসঙ্গীতের সঙ্গে ওদের (বিজেপি) ডিজে বাজিয়ে শোনাবেন।” এর প্রতিক্রিয়ায় ‘বাহুবলী’ প্রার্থীর পালটা, ‘‘ডিজে বাজবে না, ডিজের লাইন আমরা কেটে দিয়েছি।”

    তবে অনুব্রত মণ্ডলের কথা অর্জুন সিংয়ের কণ্ঠে উঠে আসায় অনেকেই চমকে যাচ্ছেন। কিন্তু একদা তো দু’জনে সতীর্থ ছিলেন। কাজেই এমন অনুরণন অস্বাভাবিক কিছু নয়। এতেই স্পষ্ট, বিরোধী রাজনৈতিক শিবিরে বাক্যবাণ বেশ সীমিত। তাই তৃণমূল নেতার কথা ধার করেই তৃণমূলকে জবাব দিতে হচ্ছে। রবিবার সাংবাদিক বৈঠকে তৃণমূলের তরফে দমদম-বারাকপুর এলাকার গণনা পর্যবেক্ষক হিসেবে প্রাক্তন ডিজি রাজীব কুমারকে দায়িত্ব দেওয়া নিয়ে প্রবল আপত্তি তুলেছেন অর্জুন সিং। তাঁর দাবি, ‘‘হ্যাকিং বিশেষজ্ঞ বলেই তাঁকে আনা হয়েছে, যাতে ইভিএম হ্যাক করা যায়।”   
  • Link to this news (প্রতিদিন)