কাল ভোটগণনা। রবিবার সন্ধেয় শেষ মুহূর্তের বৈঠকে বসবেন তৃণমূল সুপ্রিমো মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। সন্ধে সাড়ে ৬টা নাগাদ কালীঘাটের বাড়ি থেকেই বৈঠক করবেন দলনেত্রী। নজরে হটস্পট ভবানীপুর। যে কেন্দ্র থেকে লড়ছেন খোদ মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। সূত্রের খবর, ভবানীপুরের ভোটগণনা সংক্রান্ত খুঁটিনাটি বুঝিয়ে দিতেই বৈঠকে বসছেন তৃণমূল নেত্রী। জানা গিয়েছে, বৈঠকে উপস্থিত থাকবেন ভবানীপুর বিধানসভা এলাকার ৮ কাউন্সিলর, ওয়ার্ড প্রেসিডেন্ট, চিফ ইলেকশন এজেন্ট। এছাড়াও বেশ কয়েকজন তৃণমূল নেতাও থাকবেন বলে জানা গিয়েছে। সব কেন্দ্রের প্রার্থীদের সঙ্গেও ভারচুয়ালি কথা বলতে পারেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।
নজরে হটস্পট ভবানীপুর। যে কেন্দ্র থেকে লড়ছেন খোদ মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। এই কেন্দ্র থেকেই বাংলার বিধানসভার প্রেস্টিজ ফাইট বলা যেতে পারে। সূত্রের খবর, রবিবারের বৈঠকে ভবানীপুরের গণনা সংক্রান্ত যাবতীয় বিষয় নিয়েই পাঠ দিতে পারেন মমতা। প্রসঙ্গত, একুশের বিধানসভা নির্বাচনে নন্দীগ্রাম থেকে লড়াই করেছিলেন তৃণমূল সুপ্রিমো মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। গেরুয়াশিবিরের প্রার্থী হিসেবে বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারীই ছিলেন তাঁর প্রতিপক্ষ। বলাই বাহুল্য, পাঁচ বছর আগে ভোট গণনার দিন নন্দীগ্রামের ফলপ্রকাশ নিয়ে একপ্রস্থ ‘নাটকীয় মোড়’ দেখেছিল গোটা রাজ্য। জয়ী হিসেবে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের নাম প্রকাশও হয়ে গিয়েছিল। তারপরেও ছিল টানাপোড়েন। সর্বশেষ রিপোর্ট অনুযায়ী নন্দীগ্রামে শেষ হাসি হেসেছিলেন শুভেন্দুই। তা নিয়ে জলঘোলা কম হয়নি। লোডশেডিং করিয়ে গণনায় কারচুপির অভিযোগে জল গড়িয়েছিল সুপ্রিম কোর্ট পর্যন্ত। এবার সেই দুই হেভিওয়েট প্রতিপক্ষই ভবানীপুরে ভোটের লড়াইয়ে সম্মুখ-সমরে।
সূত্রের খবর, অতীত থেকে শিক্ষা নিয়েই এবার আগাম সতর্ক থাকতে চাইছেন তৃণমূল নেত্রী। প্রসঙ্গত, শনিবারের ভারচুয়াল বৈঠক থেকে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় নির্দেশ দিয়েছেন, গণনা শেষের আগে কাউন্টিং সেন্টার ছাড়া যাবে না। রাত ২টো বাজলেও যেন কোনও এজেন্ট গণনাকেন্দ্র না ছাড়েন। কখন কী পদক্ষেপ করতে হবে এজেন্টদের, কী খেতে হবে, সেই গাইডলাইন বাতলে দিয়েছেন তিনি। প্রার্থী হিসেবে ভবানীপুর কেন্দ্র নিয়ে বাড়তি কী সতর্কবার্তা দেন মমতা, সেদিকেই নজর থাকবে।