• আসতে হবে না কলকাতা, এবার প্রত্যন্ত গ্রামেই মিলবে মনোরোগের চিকিৎসা!
    প্রতিদিন | ০৩ মে ২০২৬
  • আসতে হবে না হাসপাতালে। প্রত্যন্ত গ্রামে ক্যাম্প করে প্রান্তিক মানুষদের মানসিক স্বাস্থ্য সংক্রান্ত চিকিৎসা দেবে ইনস্টিটিউট অফ সাইকিয়াট্রির মনস্তাত্ত্বিক সমাজকর্ম বিভাগ। ইতিমধ্যেই তারা প্রকাশ করেছে বিপুল কর্মকাণ্ডের ব্লু প্রিন্ট। সেখানেই দেখা যাচ্ছে আগামীর জন্য তাদের অভিনব পরিকল্পনা। ইতিমধ্যেই মানসিক স্বাস্থ্য উন্নতির জন্য ১০ হাজার থেরাপি সেশন সম্পূর্ণ করেছে ইনস্টিটিউট অফ সাইকিয়াট্রির মনস্তাত্ত্বিক সমাজকর্ম বিভাগ। তার মাধ্যমে চার হাজারেও বেশি মানুষ উপকৃত হয়েছেন।

    মনস্তাত্ত্বিক সমাজকর্ম বিভাগের বিভাগীয় প্রধান মায়াঙ্ক কুমার জানিয়েছেন, বাংলায় মনোরোগের চিকিৎসায় উৎকর্ষ কেন্দ্র ইনস্টিটিউট অফ সাইকিয়াট্রিতে ২০১১ সালে এই বিভাগ খোলার পর এই প্রথম কোনও শিক্ষাবর্ষে সম্পন্ন হল এতগুলো সেশন। আগামীতে রাজ্যের প্রত্যন্ত এলাকায় পৌঁছে যাবে এই বিভাগ। সূত্রের খবর, প্রতিষ্ঠা পাওয়ার পর এই প্রথম জাতীয় অনুদান পেয়েছে ইনস্টিটিউট অফ সাইকিয়াট্রির মনস্তাত্ত্বিক সমাজকর্ম বিভাগ। বাংলার এই প্রতিষ্ঠানের কৃতকার্যতা দেখে ভারত সরকারের ন্যাশনাল ইনস্টিটিউট অফ সোশাল ডিফেন্স মঞ্জুর করল অনুদান। আগামী দিনের মনোচিকিৎসার কর্মশালায় প্রান্তিক অঞ্চলের যৌনকর্মী, এলজিবিটিকিউ সম্প্রদায়ের সদস্য, অ্যাসিড আক্রমণের শিকার যাঁরা তাদের মানসিক স্বাস্থ্যের প্রতি বেশি নজর দিচ্ছেন মনস্তাত্ত্বিক সমাজকর্ম বিভাগের কর্মীরা। ইতিমধ্যেই মানসিক স্বাস্থ্য পরিষেবা দেওয়ার জন্য খোলা হয়েছে ‘টেলি মানস’ পরিষেবা।

    বাংলায় এর দু’টি সেন্টার রয়েছে। একটি স্বাস্থ্য ভবনে অন্যটি ইনস্টিটিউট অফ সাইকিয়াট্রিতে। এই টেলি-মানস প্রকল্পের টোল ফ্রি হেল্প লাইন নম্বর ১৮০০-৮৯-১৪৪১৬। সপ্তাহে সাতদিন চব্বিশ ঘণ্টা খোলা থাকবে এই নম্বর। দেশের তাবড় মনোচিকিৎসার প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে পাল্লা দিয়ে উঠে এসেছে ইনস্টিটিউট অফ সাইকিয়াট্রির নাম। বিগত এক বছরে দেশের যোলো রাজ্য থেকে ৩২ জন খ্যাতনামা মানসিক স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞ পা রেখেছেন এই সেন্টার অফ এক্সলেন্সে। রাঁচি সেন্ট্রাল ইনস্টিটিউট অফ সাইকিয়াট্টি, দিল্লির ইনস্টিটিউট অফ হিউম্যান বিহেভিয়ার অ্যান্ড অ্যালাইন্ড সায়েন্স, মুম্বাইয়ের টাটা ইনস্টিটিউট অফ সোশাল সায়েন্স, দিল্লি স্কুল অফ সোশাল ওয়র্ক, গুজরাতের রাষ্ট্রীয় রক্ষা বিশ্ববিদ্যালয় হরিয়ানা ওপি জিন্দাল গ্লোবাল ইউনিভার্সিটি থেকে অধ্যাপকরা পা রেখেছেন বাংলার এই উৎকর্ষ কেন্দ্রে।
  • Link to this news (প্রতিদিন)