গুয়াহাটি: অসমে ভোট মিটেছে প্রায় একমাস হতে চলল। ৯ এপ্রিল জনমত কার পক্ষে গিয়েছে, তা জানা যাবে আজ সোমবার। তবে তার আগে জয়ের ব্যাপারে আত্মবিশ্বাসী বিজেপি, কংগ্রেস দুই শিবিরই। ক্ষমতায় ফিরলে হ্যাটট্রিক করবে বিজেপি। আর কংগ্রেস জিতলে ১০ বছরের ব্যবধানে তাদের প্রত্যাবর্তন ঘটবে অহমভূমে। তবে ভোট পরবর্তী জনমত সমীক্ষার ফলাফল দেখে তৃতীয়বার সরকার গঠন নিয়ে আশাবাদী হতেই পারে গেরুয়া শিবির। অসমের ১২৬ আসনের মধ্যে গড়ে ৯০টি দেওয়া হয়েছে এনডিএ-কে। এই ফল মানতে নারাজ কংগ্রেস। রাহুল গান্ধীর দলের অভিযোগ,
‘এই ফল বিজেপির পক্ষে ফুলিয়ে ফাঁপিয়ে দেখাতে বাধ্য করা হয়েছে।’ গণনার সঙ্গে যুক্ত আধিকারিকদের চাপে রাখতেই এই কৌশল।
এবারের ভোট মুখ্যমন্ত্রী হিমন্ত বিশ্বশর্মার লিটমাস টেস্টও। আগের ২০১৬ এবং ২০২১ সালে প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী সর্বানন্দ সোনওয়ালকে সামনে রেখে ভোটে লড়েছিল বিজেপি। এবার গেরুয়া শিবিরকে নেতৃত্ব দিয়েছেন হিমন্ত। রেকর্ড ৮০ শতাংশ ভোট পড়েছে অসমে। প্রদেশ কংগ্রেস সভাপতি গৌরব গগৈ-এর দাবি, ‘নতুন অসম, নতুন নেতৃত্বের আশায় ভোট দিয়েছেন।’ অন্যদিকে হিমন্তের দাবি, ‘বেআইনি অনুপ্রবেশকারীদের হাত থেকে আমাদের জমি, আত্মপরিচয় এবং সংস্কৃতিকে রক্ষার জন্য মানুষ একবগ্গাভাবে বিজেপিকে ভোট দিয়েছে।’ এবার পুরোপুরি সাম্প্রদায়িক লাইনে ভোটপ্রচার করেছেন হিমন্ত। বারবার তিনি সতর্ক করে বলেছেন, ‘আমাদের পরাজয়ের অর্থ বাংলাভাষী মুসলিমরা আবার জমিজমা কেড়ে নিতে শুরু করবে।’ ক্ষমতায় ফিরলে বন্যা সমস্যার সমাধান করবে বলে প্রতিশ্রুতি দিয়েছে বিজেপি। আর প্রচারে কংগ্রেসের সেরা বাজি ছিল প্রয়াত গায়ক ভূমিপুত্র জুবিন গর্গের মৃত্যুর যথাযথ তদন্তের প্রতিশ্রুতি। কংগ্রেস জানিয়েছে, ক্ষমতায় আসার ১০০ দিনের মধ্যে জুবিনের মৃত্যুর সুবিচার হবে। - ফাইল চিত্র