• কাউন্টিং এজেন্ট খুঁজতে হিমশিম গেরুয়া শিবির
    বর্তমান | ০৪ মে ২০২৬
  • নিজস্ব প্রতিনিধি, বরানগর: ভোটের দিন উত্তর শহরতলির বহু বুথে দেখা মেলেনি বিজেপির পোলিং এজেন্টের। এখন দেখা যাচ্ছে, কাউন্টিং এজেন্ট খুঁজতেও কালঘাম ছুটছে বিজেপি নেতৃত্বের। সূত্রের খবর, সম্ভাব্য পরাজয়ের আতঙ্ক থেকে এজেন্ট হতে চাইছেন না অনেকে। শুধু তাই নয়, এজেন্ট পিছু টাকা দেওয়া নিয়ে দলের অন্দরে বিতর্ক শুরু হয়েছে। যদিও এসব খবর উড়িয়ে দিয়েছে বিজেপি নেতৃত্ব। অন্যদিকে, বিজয় উৎসবের প্রস্তুতি নিচ্ছে জোড়াফুল শিবির। 

    উত্তর শহরতলির বরানগর, কামারহাটি, পানিহাটি, খড়দহ, দমদম উত্তর ও দমদম বিধানসভা কেন্দ্রের ভোট গণনা হবে পানিহাটির গুরুনানক ডেন্টাল কলেজে। এই ছ’টি বিধানসভায় প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন মোট ৬২ জন প্রার্থী। নির্বিঘ্নে গণনা প্রক্রিয়া সম্পন্ন করতে কড়া নিরাপত্তার ব্যবস্থা করা হয়েছে। এই আবহে গণনাকেন্দ্রে এজেন্ট দেওয়া নিয়ে জোর কাজিয়া শুরু হয়েছে বিজেপির অন্দরেই। প্রতিটি টেবিলে এজেন্ট থাকা নিশ্চিত করতে শেষ মুহূর্তে টাকা দেওয়া হচ্ছে বলে দাবি বিজেপি কর্মীদের। পানিহাটিতে এজেন্ট পিছু ৫০০ টাকা দেওয়া হচ্ছে বলে এক বিজেপি কর্মী জানিয়েছেন। যদিও এটা যথেষ্ট কম টাকা বলেই দাবি তাঁদের। আরও অভিযোগ, পোড়খাওয়া নেতাদের পরিবর্তে আনকোরাদের এজেন্ট করা হয়েছে। ফলে প্রথম কয়েক রাউন্ডের গণনায় বিজেপি প্রার্থী পিছিয়ে পড়লে তাঁরা কতক্ষণ গণনাকেন্দ্রে বসে থাকার মানসিক দৃঢ়তা দেখাতে পারবেন, তা নিয়ে দেখা দিয়েছে সংশয়। ২০২১ সালের মতো ফলাফল এবারও হলে কী পরিস্থিতি হতে পারে, তা নিয়ে বিজেপি রীতিমতো শঙ্কিত। এমনকি, বেশ কয়েকজন নেতা ইতিমধ্যে তৃণমূলের সঙ্গে ঘনিষ্ঠতা বাড়াচ্ছেন বলে সূত্রের খবর। বিজেপির উত্তর শহরতলি জেলা সভাপতি চণ্ডীচরণ রায় বলেন, ‘কাউন্টিং এজেন্ট নিয়ে কোথাও কোনো সমস্যা নেই। প্রশিক্ষিত এজেন্টরাই বসবেন। আমরা রাজ্যে সরকার গড়ব।’ তৃণমূল শিবিরের ছবিটা অবশ্য অনেকটাই আলাদা। আত্মবিশ্বাসী তৃণমূল বিজয় উৎসবের প্রস্তুতি নিতে শুরু করে দিয়েছে। 
  • Link to this news (বর্তমান)