ফল বেরনোর আগে এজেন্টদের নিয়ে বৈঠকে জোড়াফুল প্রার্থীরা, বিরোধীরা কেউ মন্দিরে, কেউ কষলেন ভোটের অঙ্ক
বর্তমান | ০৪ মে ২০২৬
সংবাদদাতা, বারুইপুর: বিধানসভা নির্বাচনের ফল প্রকাশের আগে তৃণমূল প্রার্থীরা দফায় দফায় এজেন্টদের সঙ্গে বৈঠক করলেন। বিরোধী বিজেপি প্রার্থীরা ছুটলেন মন্দিরে। আর সিপিএম প্রার্থীরা নিজের কেন্দ্রের ভোটের হিসাব কষতে বসলেন। তবে এর মধ্যেই সব দলের প্রার্থীরাই ব্যস্ত ছিলেন গণনাকেন্দ্রে নজরদারি করতে। বারুইপুর পশ্চিম বিধানসভা কেন্দ্রের তৃণমূল কংগ্রেস প্রার্থী বিমান বন্দ্যোপাধ্যায়। রবিবার নিজের এলাকায় হালকা মেজাজেই দিন কাটালেন। দলের এজেন্টদের সঙ্গে বৈঠক করলেন। দিলেন শলা-পরামর্শ। বৈঠকে জানালেন, মাথা ঠান্ডা রেখে কাজ করতে হবে। দলীয় নির্দেশ মেনে চলতে হবে সবাইকে। তবে বিমানবাবু আত্মপ্রত্যয়ী। তিনি বলেন, চতুর্থবার মুখ্যমন্ত্রী হিসাবে ফের শপথ নেবেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ই। বারুইপুর পূর্বের তৃণমূল প্রার্থী বিভাস সর্দারও এজেন্টদের নিয়ে বৈঠক সারলেন। পাশাপাশি দলীয় কর্মীদের সঙ্গে মস্করায় মাতলেন।
অন্যদিকে, বারুইপুর পশ্চিমের বিজেপি প্রার্থী বিশ্বজিৎ পাল এদিন শিবানীপীঠ মন্দিরে গেলেন পুজো দিতে। জয়নগরের তৃণমূল প্রার্থী বিশ্বনাথ দাস দলীয় কর্মীদের সঙ্গে বৈঠক করলেন। তাঁর নির্দেশে দলের এজেন্টরা সকালেই ছুটলেন গণনা কেন্দ্রে। সিপিএম প্রার্থী অপূর্ব প্রামাণিক নিজের কেন্দ্রে ভোটের হিসাব কষলেন কর্মীদের নিয়ে। একই কাজ করলেন রায়দিঘির সিপিএম প্রার্থী সাম্য গঙ্গোপাধ্যায়। পাশাপাশি এজেন্টদের দিলেন কিছু গাইডলাইন। সাম্য বলেন, মানুষের উপর ভরসা ছিল। কিছুটা হলেও সেটা পূরণ হবে।
কুলতলির তৃণমূল প্রার্থী গণেশচন্দ্র মন্ডল খুশির মেজাজে ছিলেন। জানালেন, কুলতলিতে তৃণমূল জিতবেই। আর দিদি আবার নবান্নে যাবেন। দলীয় কর্মীদের নিয়ে গেলেন গণনাকেন্দ্রে। কুলতলি থেকে অনেক দূরে যাদবপুরে গণনা কেন্দ্র হওয়ায় নির্বাচন কমিশনের বিরুদ্ধে ক্ষোভ উগরে দিলেন তিনি। অন্যদিকে বিজেপি প্রার্থী মাধবী মহলদারও আত্মবিশ্বাসী। স্থানীয় মন্দিরে পুজো দিয়ে বলেন, এবার কুলতলিতে পদ্মফুল ফুটবেই। জয়নগরের বিজেপি প্রার্থী অলোক হালদার আবার সারাদিন রইলেন কর্মী ও এজেন্টদের নিয়ে আলোচনায়।