• জম্মু-শ্রীনগর ‘বন্দে ভারত’-এর পরিষেবা শুরু
    এই সময় | ০৪ মে ২০২৬
  • এই সময়: পিরপঞ্জাল উপত্যকায় নিয়ন্ত্রণরেখা বরাবর অবস্থিত রাজৌরি থেকে পুঞ্চ পর্যন্ত অংশ এবং তার পরে কাশ্মীরের উত্তর প্রান্তে উরির মতো দুর্গম এলাকাকেও এ বার দেশের বাকি অংশের সঙ্গে রেল নেটওয়ার্কে যুক্ত করা হবে। শনিবার জম্মু–শ্রীনগর বন্দে ভারত এক্সপ্রেসের পরিষেবা চালু করে এই পরিকল্পনার কথা জানান রেলমন্ত্রী অশ্বিনী বৈষ্ণব। জম্মু–কাশ্মীরে ২০ কোচের যে বন্দে ভারতের যাত্রা শুরু হয়েছে, সেটাই ভূস্বর্গের জম্মু ও শ্রীনগর— এই দুই রাজধানীর মধ্যে প্রথম সরাসরি রেল সার্ভিস। যাকে ‘যুগান্তকারী’ বলে দাবি করা হচ্ছে।

    ২০২৫–এর ৬ জুন কাটরা থেকে শ্রীনগর পর্যন্ত প্রথম সরাসরি ট্রেনের উদ্বোধন করেছিলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। সেই পরিষেবাকেই জম্মু তাওয়াই স্টেশন পর্যন্ত বাড়ানো হলো। জম্মু–শ্রীনগরের দূরত্ব প্রায় ২৫০ কিমি। এনএইচ–৪৪ দিয়ে যেতে পাঁচ ঘণ্টার বেশি সময় লাগে। ট্রেনে সেটাই কমে অর্ধেক হবে বলে দাবি। পাশাপাশি, এই রেলপথ উপত্যকার নির্ভরযোগ্য গণপরিবহণ হয়ে উঠবে এবং দিল্লি থেকে ট্রেনে শ্রীনগর পৌঁছনোর সুযোগ কাশ্মীরের পর্যটন শিল্পকেও বেশ খানিকটা এগিয়ে দেবে বলে আশা করা হচ্ছে।

    রেলের আধিকারিকরা জানাচ্ছেন, মাইনাস ১০ ডিগ্রি সেলসিয়াস তাপমাত্রাতেও যাতে ট্রেন চালানো যায়, সে কথা মাথায় রেখে পরিকাঠামো তৈরি হয়েছে। শ্রীনগর–কাটরা রুটে আট কামরার ট্রেনে ১০০ শতাংশ আসনই বুকড হচ্ছে। তা দেখে জম্মু–শ্রীনগর বন্দে ভারতে ২০টি কামরা রাখা হয়েছে। রেলের বক্তব্য, পুঞ্চ থেকে রাজৌরি পর্যন্ত ৮৭ কিমি অংশে রেললাইন পাতার কাজটা বেশ চ্যালেঞ্জিং। দুর্গম ভূপ্রকৃতি তো আছেই, তার উপরে নিয়ন্ত্রণরেখা খুব কাছে। তবে, যে কোনও মূল্যে ওই অংশে রেল–পরিষেবা শুরু করতে তারা প্রস্তুত বলে রেলের দাবি।

  • Link to this news (এই সময়)