Nabanna CRPF deployment: পশ্চিমবঙ্গের প্রশাসনিক সদর দফতর নবান্নে মোতায়েন করা হল কেন্দ্রীয় বাহিনী। সূত্রের খবর, শুধু বাইরে নয় নবান্নের ভিতরেও ঢুকেছেন CRPF জওয়ানদের কুইক রেসপন্স টিম। ভোটগণনার প্রাথমিক ট্রেন্ডে বিজেপির বড় লিড স্পষ্ট হতেই রাজ্যের রাজনৈতিক পরিস্থিতি ক্রমেই উত্তপ্ত হয়ে ওঠে। সেই আবহেই নবান্ন ঘিরে নিরাপত্তা জোরদার করল নির্বাচন কমিশন।
শুধু তাই নয়। অশান্তির আশঙ্কায় মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এবং তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের বাড়ির সামনেও কেন্দ্রীয় বাহিনী মোতায়েনের নির্দেশ দিয়েছে কমিশন।
সোমবার দুপুরে নবান্নের সামনে বিজেপির মহিলা সমর্থকদের উচ্ছ্বাস দেখা যায়। মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে এতদিন যে নবান্ন থেকে প্রশাসন চালাতেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়, সেই বিল্ডিংয়ের সামনেই গেরুয়া আবির মেখে উদ্যাপনে মাতেন বিজেপি কর্মী-সমর্থকরা।
এদিকে গণনার ট্রেন্ড যত এগোচ্ছে, ততই চাপে তৃণমূল কংগ্রেস। দুপুর সাড়ে ৩টে পর্যন্ত পাওয়া প্রবণতা অনুযায়ী, বিজেপি এগিয়ে রয়েছে ১৯৪টি আসনে। সেখানে তৃণমূলের লিড ৯০টি আসনে। রাজনৈতিক পর্যবেক্ষকদের মতে, এই ট্রেন্ড বজায় থাকলে বাংলার ক্ষমতার পালাবদল কার্যত সময়ের অপেক্ষা।
এই পরিস্থিতির মাঝেই রাজ্যের বিভিন্ন জায়গা থেকে অশান্তির খবর সামনে আসতে শুরু করেছে। কমিশন সূত্রে খবর, আইন-শৃঙ্খলার অবনতি রুখতেই মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এবং তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের বাড়ির সামনেও কেন্দ্রীয় বাহিনী মোতায়েন করা হয়েছে। সম্ভাব্য বিক্ষোভ বা হামলার আশঙ্কাতেই এই সিদ্ধান্ত।
আসানসোলে ইতিমধ্যেই উত্তেজনা ছড়িয়েছে বলে অভিযোগ। সেখানে কাউন্টিং সেন্টারের বাইরে বিজেপি ও তৃণমূল কর্মীদের মধ্যে স্লোগান-পাল্টা স্লোগান শুরু হয়। পরে পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে ওঠে। অভিযোগ, তৃণমূল কর্মীদের উপর হামলাও চালানো হয়েছে। যদিও বিজেপির তরফে এই অভিযোগ অস্বীকার করা হয়েছে।
কমিশনের এক আধিকারিক জানিয়েছেন, গোটা পরিস্থিতির উপর কড়া নজর রাখা হচ্ছে। কোথাও যাতে হিংসা না ছড়ায়, সে জন্য অতিরিক্ত বাহিনী মোতায়েন করা হয়েছে। গণনাকেন্দ্রগুলির নিরাপত্তাও আরও বাড়ানো হয়েছে।