• দেড় লক্ষ মুরগি মারার সিদ্ধান্ত মহারাষ্ট্রে
    দৈনিক স্টেটসম্যান | ০৪ মে ২০২৬
  • মহারাষ্ট্র ও কর্ণাটকে বার্ড ফ্লু ঘিরে উদ্বেগজনক পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে। সংক্রমণ নিয়ন্ত্রণে আনতে প্রশাসন একাধিক কঠোর পদক্ষেপ গ্রহণ করেছে। মহারাষ্ট্রে আগামী পাঁচ দিনের মধ্যে প্রায় দেড় লক্ষ মুরগি নিধনের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। অন্যদিকে কর্নাটকে এই ভাইরাসের সংক্রমণে প্রায় পঞ্চাশটি ময়ূরের মৃত্যু ঘটেছে, যা পরিস্থিতির গুরুত্ব আরও বাড়িয়ে তুলেছে।

    প্রশাসন সূত্রে জানা গিয়েছে, মহারাষ্ট্রের নন্দুরবার জেলার নবপুর এলাকায় ২৫টি র‌্যাপিড রেসপন্স টিম প্রায় ১ লক্ষ ৪০ হাজার মুরগি মারার কাজ শুরু করেছে। ইতিমধ্যেই শুক্র ও শনিবার মিলিয়ে অন্তত ১১ হাজার মুরগি নিধন করা হয়েছে। পাশাপাশি প্রায় ৬ হাজার ডিমও নষ্ট করে ফেলা হয়েছে।

    শুধু ডিম নয়, ডিম রাখার ট্রেগুলিও আলাদা করে নষ্ট করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে, যাতে সংক্রমণ আর ছড়াতে না পারে। যেসব পোলট্রি ফার্ম থেকে ভাইরাস ছড়িয়েছে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে, সেগুলির চারপাশে ৩ কিলোমিটার ব্যাসার্ধ জুড়ে এলাকাকে সংক্রমিত অঞ্চল হিসেবে ঘোষণা করে সতর্কতামূলক ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।

    অন্যদিকে, কর্ণাটকের তুমাকুরু জেলায় এইচ৫এন১ ভাইরাসের সংক্রমণ ধরা পড়েছে। জেলার বিভিন্ন গ্রাম থেকে অন্তত ৪৪টি ময়ূরের মৃত্যুর খবর পাওয়ার পর প্রশাসন নমুনা সংগ্রহ করে ভোপালের গবেষণাগারে পাঠায়। পরীক্ষার রিপোর্টে বার্ড ফ্লু নিশ্চিত হওয়ার পরই প্রশাসন তৎপর হয়ে ওঠে। রাজ্যের চিড়িয়াখানা, পাখিরালয় এবং অভয়ারণ্যগুলিতে কড়া নজরদারি শুরু হয়েছে।

    কোথাও পাখিদের মধ্যে অসুস্থতার লক্ষণ দেখা যাচ্ছে কি না, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে। মহারাষ্ট্রের মতো কর্নাটকেও সংক্রমণস্থলের আশপাশে ৩ কিলোমিটার এলাকাকে সংক্রমিত জোন হিসেবে চিহ্নিত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। পাশাপাশি, মানুষের শরীরে বা অন্য প্রাণীর মধ্যে এই সংক্রমণ ছড়িয়েছে কি না, তা জানতেও স্বাস্থ্যকর্মীরা গ্রামে গ্রামে ঘুরে নজরদারি চালাচ্ছেন।

     
  • Link to this news (দৈনিক স্টেটসম্যান)