বিয়ের নামে প্রতারণা! উত্তরপ্রদেশে পর্দাফাঁস ‘লুটেরা দুলহন’ গ্যাংয়ের, নগদ-গয়না-সহ গ্রেপ্তার ৪
প্রতিদিন | ০৪ মে ২০২৬
দল পাকিয়ে বিয়ের নামে প্রতারণা। উত্তরপ্রদেশে পর্দাফাঁস ‘লুটেরা দুলহন’ গ্যাংয়ের। অবিবাহিত যুবকদের সঙ্গে বিয়ের নামে প্রতারণা করা টাকা, গয়না হাতিয়ে পালিয়ে যেত অভিযুক্তরা। এই ঘটনায় চার জন মহিলাকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। জিতেন্দ্র নামের পলাতক এক যুবককেও খুঁজছে পুলিশ।
অভিযুক্ত মহিলাদের কাছ থেকে নগদ ৩৯ হাজার ৫০০ টাকা উদ্ধার হয়েছে। এছাড়াও একটি রুপোর নূপুর এবং একটি মঙ্গলসূত্রে বাজেয়াপ্ত করেছে পুলিশ। এসপি শক্তি মোহন অবস্থি জানিয়েছেন, রীতিমতো পরিকল্পনা করে ভুয়ো বিয়ে করে ফাঁসানো হত পরিবারগুলিকে। এর পরেই নগদ টাকা, দামি গয়না হাতিয়ে পলাতক হয় গোটা গ্যাং। সুন্দরী নববধূটি ছিল প্রতারণার প্রধান টোপ। বিষয়টি প্রকাশ্যে আসে ইটাহ-র বাসিন্দা রণজিৎ চৌহান পুলিশে অভিযোগ জানানোর পর।
রণজিৎ পুলিশকে জানান, জিতেন্দ্র এবং চারজন মহিলা মিলে অঞ্জেলিকা নামের এক তরুণীর সঙ্গে তাঁর বিয়ে ঠিক করেন। মহিলারা জানায় অঞ্জেলিকা অবিবাহিত, যদিও আদতে তিনি বিবাহিত, এমনকী এক সন্তানের মা। স্থানীয় মন্দিরে তাদের বিয়ে হয়েছিল। বিয়ের খরচের নামে রণজিতের কাছ থেকে ১ লক্ষ টাকা এবং গয়না নিয়েছিল প্রতারকরা। বিয়ের অনুষ্ঠানের মাঝপথে অভিযুক্তরা আক্রমণাত্মক হয়ে ওঠে। রণজিৎকে মারধর করে ঘটনাস্থল থেকে পালিয়ে যায়।
তদন্তে নেমে অভিযুক্ত সুমিতা, লালতি, কজল এবং অঞ্জেলিকাকে গ্রেপ্তার করেছে। জিজ্ঞাসাবাদে পুলিশ জানতে পেরেছে ‘লুটেরা দুলহন গ্যাং’য়ের মাথা লালতি। তাঁর পুরনো অপরাধের রেকর্ড রয়েছে। অন্যদিকে সুমিতা নামের মহিলা কনের মা সাজতেন। মুক ও বধিরের অভিনয় করে সহানুভূতি আদায় করতেন তিনি। এই মুহূর্তে পলাতক জিতেন্দ্রর খোঁজে পুলিশ।