বনগাঁয় মতুয়া গড় কার্যত ধরে রাখতে সমর্থ বিজেপি। বনগাঁ উত্তর-দক্ষিণ, গাইঘাটা, বাগদা কেন্দ্রে বিজেপি প্রার্থীরা বিপুল ভোটের ব্যবধানে এগিয়ে। এবার বাগদা কেন্দ্রে বিশেষ নজর রয়েছে। ননদ-বউদির লড়াইয়ে শেষপর্যন্ত কে জিতবেন? সেই চর্চা শুরু থেকেই। এদিন বেলায় দেখা গেল ননদের থেকে বউদি ভোটের নিরিখে বেশ অনেকটাই এগিয়ে। ঠাকুরবাড়িকে ঘিরে থাকা রাজনীতিতে মতুয়াদের একটা বড় অংশ গেরুয়া শিবিরের দিকেই ঝুঁকে থাকল। তেমনই মনে করছে রাজনৈতিক মহলের একাংশ।
গত ২০১৯ সাল থেকেই মতুয়া ভোটব্যাঙ্ক বিজেপির দিকে ঝুঁকতে থাকে। ২০২১ সালের বিধানসভা নির্বাচনে বনগাঁয় গেরুয়া শিবির আসনগুলি নিজের দখলে রেখেছিল বিজেপি। এবার কী হবে? সেই চর্চা শুরু হয়েছিল। তৃণমূল কংগ্রেস এবার বনগাঁয় একাধিক আসনে জয়ে জন্য মরিয়া ছিল। জোড়াফুলের তরফে জোর প্রচারও চলে। তবে বিজেপি এই এলাকায় জয় ধরে রাখার জন্য বরাবরই প্রত্যাশী। সেই ট্রেন্ডই যেন এবার ধরে রাখল গেরুয়া শিবির। এদিন ভোটগণনার শুরুর দিক থেকেই বিজেপি এগিয়েছিল একাধিক আসনে। বনগাঁতেও সেই ছবি দেখা যায়।
তৃণমূল প্রার্থী মধুপর্ণা ঠাকুর শুরুর দিকে ভোটে এগিয়েছিলেন। কিন্তু বেলা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে সেই ব্যবধান ক্রমে কমতে থাকে। বিজেপি প্রার্থী সোমা ঠাকুর সম্পর্কে মধুপর্ণার বউদি, কেন্দ্রীয় মন্ত্রী বিজেপি সাংসদ শান্তনু ঠাকুরের স্ত্রী। ননদ-বউদির লড়াইয়ের দিকে নজর ছিল সকলেরই। দশম রাউন্ডের শেষে সোমা ঠাকুর মধুপর্ণার থেকে ২১ হাজারের বেশি ভোটে এগিয়ে রয়েছেন। বনগাঁ উত্তর ও দক্ষিণ, গাইঘাটা কেন্দ্রেও বিজেপি প্রার্থীরা এগিয়ে রয়েছেন। গাইঘাটা কেন্দ্রে বিজেপি প্রার্থী সপ্তম রাউন্ডের শেষে প্রায় ১৮ হাজারের বেশি ভোটে এগিয়ে। বিজেপি কর্মী-সমর্থকরা বেলা বাড়তেই আবির খেলা শুরু করেছেন। চলছে মিষ্টিমুখ।