রাজ্যে গেরুয়া ঝড়। উত্তর থেকে দক্ষিণে গেরুয়া আবির উড়িয়ে উচ্ছ্বাস, আনন্দে মেতেছেন বিজেপি কর্মী-সমর্থকরা। কলকাতায় রাজ্য বিজেপির কার্যালয়ে কর্মী-নেতারা আনন্দে উদ্বেল। মিষ্টিমুখ চলছে। শুধু তাই নয়, পার্টি অফিসে বাজছে রবীন্দ্রসঙ্গীত। বিজেপির রাজ্য সভাপতি শমীক ভট্টাচার্য এই নির্দেশ দিয়েছেন বলে খবর। ভোটের ফল ঘোষণার পর ডিজে বাজবে। সেই কথা জানিয়েছিলেন তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। ভোটের ফলাফলের জয়ের ট্রেন্ড বিজেপির দিকেই রয়েছে। তারপরই বিজেপির পার্টি অফিস থেকে রবীন্দ্রসঙ্গীত বাজানো শুরু হল। এই ঘটনা অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ বলেই মনে করছে রাজনৈতিক মহল।
রাজ্যে সরকার বদল এখন সময়ের অপেক্ষা। তৃণমূল কংগ্রেস বহু আসনে পিছিয়ে। বিজেপি শুরু থেকেই বহু আসনে ভোটের লিড নিয়ে এগিয়ে। বিজেপির অগ্নিমিত্রা পল ফের জয়ী হয়েছেন। শিলিগুড়ি থেকে শঙ্কর ঘোষকেও জয়ী ঘোষণা করা হয়েছে। রাজ্যে সরকার গড়তে চলেছে বিজেপি। এই আভাস এখন প্রায় নিশ্চিত। বিজেপির কর্মী-সমর্থকরা দিকে দিকে গেরুয়া আবির উড়িয়ে আনন্দে মেতেছেন। চলছে মিষ্টি বিতরণ। সেই আবহে এবার বিজেপি পার্টি অফিসে রবীন্দ্রসঙ্গীত বাজানো শুরু হল। বিজেপির রাজ্য সভাপতি শমীক ভট্টাচার্য এই নির্দেশ দিয়েছেন। তৃণমূলের তরফে ভোটের প্রচারে নির্বাচনের ফল ঘোষণার পর ডিজে বাজানোর কথা জানিয়েছিল। সেই প্রেক্ষিতে এবার বিজেপির তরফে রবীন্দ্রসঙ্গীত বাজানোর ঘটনা অত্যন্ত ইঙ্গিতপূর্ণ বলে মনে করা হচ্ছে।
প্রসঙ্গত, বিজেপি বাঙালি সংস্কৃতি বিরোধী, ক্ষমতায় এলে খাদ্যাভাসেও বদল করে দেওয়া হবে! মাছ খেতে দেবে না, সেই প্রচার জোরালোভাবে তৃণমূলের তরফে করা হয়েছিল। যদিও বিজেপির পালটা প্রচার করা হয়েছিল মাছে-ভাতে বাঙালির সংস্কৃতির বিরুদ্ধে তারা নয়। বাংলায় প্রচারে এসে কেন্দ্রীয় বিজেপি নেতা অনুরাগ ঠাকুর মাছ খেয়েছিলেন। বিজেপি নেতা, প্রার্থীরা মাছ নিয়ে এলাকায় এলাকায় প্রচারও করেছিলেন। সেই বাঙালিয়ানাকে বজায় রাখার জন্যই বিজেপির তরফে এই রবীন্দ্রসঙ্গীত বাজানো রাজ্যের মানুষকে বড় বার্তা দেওয়া। এমনই মনে করছে ওয়াকিবহাল মহলের বড় অংশ।