সোমবার সকাল ৮টা থেকে ভোট গণনা শুরু হয়েছিল বঙ্গে। বেলা যত এগিয়েছে, রাজ্য জুড়ে ততই দাপট বেড়েছে গেরুয়া ঝড়ের। এই প্রতিবেদন প্রকাশিত হওয়ার সময় পর্যন্ত গণনার যে ট্রেন্ড সামনে আসছে, তাতে তৃণমূলের মন্ত্রিসভার একের পর এক সদস্য হারের মুখে দাঁড়িয়ে। কলকাতা থেকে শুরু করলে শিক্ষামন্ত্রী ব্রাত্য বসু, নারী ও শিশুকল্যাণ দপ্তরের মন্ত্রী শশী পাঁজা, অর্থমন্ত্রী (স্বাধীন) চন্দ্রিমা ভট্টাচার্য, দমকলমন্ত্রী সুজিত বসু, ক্রীড়া ও যুবকল্যাণ মন্ত্রী অরূপ বিশ্বাস পিছিয়ে রয়েছেন।
পিছিয়ে রয়েছেন বনমন্ত্রী বিরবাহা হাঁসদা, কারিগরি শিক্ষামন্ত্রী ইন্দ্রনীল সেন, গ্রন্থাগার মন্ত্রী সিদ্দিকুল্লাহ চৌধুরী, উত্তরবঙ্গ উন্নয়ন মন্ত্রী উদয়ন গুহ, সেচমন্ত্রী মানস ভুঁইয়্যাও। এ ছাড়াও ক্রেতাসুরক্ষা দপ্তরের মন্ত্রী শ্রীকান্ত মাহাতো, আইনমন্ত্রী মলয় ঘটক, পঞ্চায়েতমন্ত্রী প্রদীপ মজুমদারও পিছিয়ে। বেচারাম মান্না, স্নেহাশিস চক্রবর্তীও পিছিয়ে আছেন। পিছিয়ে থাকার তালিকায় রয়েছেন স্কুলশিক্ষা প্রতিমন্ত্রী সত্যজিৎ বর্মনও।
তবে এই ভরাডুবির বাজারে অক্সিজেন জুগিয়েছেন শোভনদেব চট্টোপাধ্যায়। তিনি ছিলেন কৃষিমন্ত্রী। ফিরহাদ হাকিমও ব্যাপক ব্যবধানে এগিয়ে। জয় নিয়ে এক প্রকার নিশ্চিত তিনি। জিতেছেন সাবিনা ইয়াসমিনও।
রাত ৯টা অবধি যা ট্রেন্ড, তাতে ২৯৩টি আসনের মধ্যে বিজেপি ১৬১টিতে জিতেছে, ৪৭টিতে এগিয়ে। তৃণমূল জিতেছে ৫৬টিতে, এগিয়ে ২৩টিতে। কংগ্রেস ও আমজনতা উন্নয়ন পার্টি যথাক্রমে ২টি আসনে জয়ী হয়েছে। সিপিএম পেয়েছে ১টি। আইএসএফ পেয়েছে ১টি।