• ‘ক্ষমতার অপব্যবহার’, এফআইআর দায়ের হতেই আপ সরকারকে তোপ সন্দীপের
    প্রতিদিন | ০৫ মে ২০২৬
  • আপ ছেড়ে বিজেপিতে যোগ দেওয়ার এক সপ্তাহ পরই সন্দীপ পাঠকের (Sandeep Pathak) বিরুদ্ধে জামিন অযোগ্য অপরাধে দু’টি এফআইআর দায়ের করে পাঞ্জাব পুলিশ। তারপর থেকেই তাঁর কোনও খোঁজ পাওয়া গেল না। অবশেষে প্রকাশ্যে এসে বিষয়টি নিয়ে মুখ খুললেন সন্দীপ। আম আদমি পার্টি (আপ)-কে তোপ দেগে তিনি বলেন, “এটা ক্ষমতার অপব্যবহার।”

    রবিবার একটি সাংবাদিক বৈঠকে সন্দীপ বলেন, “গণমাধ্যমে জানতে পেরেছি পাঞ্জাবে আমার বিরুদ্ধে দু’টি এফআইআর দায়ের হয়েছে। কিন্তু আনুষ্ঠানিকভাবে আমি এখনও কিছু জানতে পারিনি। আমার কাছে এফআইআরেক কপি এসে পৌঁছয়নি।” তিনি আরও বলেন, “যদি কোনও এফআইআর দায়ের হয়ে থাকে তাহলে তা ক্ষমতার অপব্যবহার করে করা হয়েছে। আমি এর জবাব দেব। আমি ব্যক্তিগত কারণে আপ ছাড়িনি। আদর্শগত এবং কর্মপদ্ধতিগত মতপার্থক্যের কারণে আমি দল ছেড়েছি।”

    আপ ছেড়ে বিজেপিতে যাওয়া সাত সাংসদকে নিয়ে জলঘোলা চলছে কয়েকদিন ধরেই। তার মধ্যেই সন্দীপের বিরুদ্ধে পাঞ্জাব পুলিশের পদক্ষেপ ঘিরে রাজ্য রাজনীতিতে ঝড়। বিজেপি-সহ বিরোধীদের দাবি, এটা রাজনৈতিক প্রতিহিংসার নমুনা। বিজেপি তো বটেই সুর চড়াচ্ছে অকালি দলও। এই পরিস্থিতিতে পাঞ্জাবে অকালি দল এবং বিজেপির ফের কাছাকাছি আসা নিয়েও জল্পনা ছড়াচ্ছে।

    গত শুক্রবার যাবতীয় জল্পনার অবসান ঘটিয়ে বিজেপিতে যোগ দেন রাঘব চাড্ডা। তাঁর সঙ্গেই গেরুয়া শিবিরমুখী হন আরও ছয় আপ সাংসদ। তাঁরা হলেন – স্বাতী মালিওয়াল, হরভজন সিং, অশোক মিত্তল, সন্দীপ পাঠক, রাজিন্দর গুপ্তা, বিক্রম সাহানি। কিন্তু এক সপ্তাহ কাটতে না কাটতেই এবার বিপাকে পড়লেন সন্দীপ। পাঞ্জাব পুলিশ সূত্রে খবর, শনিবার জামিন অযোগ্য ধারায় সন্দীপের বিরুদ্ধে মামলাগুলি রুজু করা হয়। তাঁর বিরুদ্ধে দুর্নীতি এবং নারী হেনস্তার মতো গুরুতর অভিযোগ রয়েছে। মামলা দু’টিতে গ্রেপ্তার হতে পারেন প্রাক্তন আপ নেতা।
  • Link to this news (প্রতিদিন)