তৃণমূল ছাড়ার পরই বাংলা থেকে তৃণমূল সরকারকে উৎখাতের প্রতিজ্ঞা করেছিলেন শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari)। একুশে মাটি কামড়ে পড়ে থাকলেও সেই স্বপ্নের বাস্তবায়ন হয়নি। লক্ষ্যের ধারে কাছেও পৌঁছতে পারেনি পদ্মশিবির। কিন্তু ছাব্বিশে পূরণ হল স্বপ্ন। গেরুয়া ঝড়ে ম্লান হয়ে গেল তৃণমূল। এক্স হ্যান্ডেলে লড়াকু কর্মীদের কুর্নিশ জানালেন শুভেন্দু। রাজ্যবাসীকে প্রণাম জানিয়ে তিনি লিখলেন, ‘সোনার বাংলায় নতুন ভোর।’
সোমবার বিকেলে এক্স হ্যান্ডেলে শুভেন্দু অধিকারী লেখেন, ‘সোনার বাংলায় এক নতুন ভোর।
এই ঐতিহাসিক রায় মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শ্রী নরেন্দ্র মোদি জি-র দূরদর্শী নেতৃত্বের প্রতি পশ্চিমবঙ্গের জনগণের রাখা অটল আস্থার প্রমাণ। অঙ্গ-কলিঙ্গ-বঙ্গ জুড়ে জাতীয়তাবাদী বিজেপি সরকারের পক্ষে এই বিপুল রায়ের মাধ্যমে বিকশিত ভারতের স্বপ্ন বাস্তবায়িত হবে। আমাদের বিজেপি কর্মীরা তাঁদের রক্ত-ঘাম দিয়ে এই বিজয় এনেছেন। মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর উন্নয়নের প্রতি অটল অঙ্গীকার এবং জনগণের পরিবর্তনের আকাঙ্ক্ষাই এটিকে সম্ভব করেছে।’ সেখানেই তিনি লেখেন, ‘ভয়ের পরিবর্তে অগ্রগতিকে বেছে নেওয়ার জন্য আমি পশ্চিমবঙ্গের জনগণকে প্রণাম জানাই। আমরা একসঙ্গে পশ্চিমবঙ্গকে পুনর্গঠন করব।’
উল্লেখ্য, নতুন ইতিহাস তৈরি করে প্রথমবার বিজেপি পশ্চিমবঙ্গের ক্ষমতায় এল। কোন ম্যাজিকে একুশে মাত্র ৭৭ থেকে ছাব্বিশে প্রায় ২০০-এ লাফিয়ে উঠে গেল গেরুয়া শিবির, তা নিয়ে কাটাছেঁড়া শুরু হয়েছে ইতিমধ্যে। তবে এহেন সাফল্যের নেপথ্যে একজনের ভূমিকা অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ। তিনি নিঃসন্দেহে বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari)। সেই ২০২০ সালে যে তৃণমূল শিবির ছেড়ে চলে গিয়েছিলেন বিজেপিতে, সেই দলেই নিজের জমি তৈরি করেছেন, বিশ্বাসযোগ্যতা আর দক্ষতা প্রমাণ করেছেন। আর দীর্ঘ এই সংগ্রামের সুফল আজ পেলেন তিনি এবং তাঁর দল। তাই আজ বিজেপির বঙ্গজয়ের ‘বাজিগর’ অবশ্যই কাঁথির ‘শান্তিকুঞ্জে’র দ্বিতীয় পুত্র।