• রবীন্দ্রজয়ন্তীতে নতুন মন্ত্রিসভার শপথ, বঙ্গজয়ের পরেই ষোলোআনা বাঙালি বিজেপি!
    প্রতিদিন | ০৫ মে ২০২৬
  • বাংলায় ১৫ বছরের তৃণমূল শাসনের অবসান। পরিবর্তনের ঢেউয়ে প্রথমবার রাজ্যে ফুটল পদ্ম। আর এরপরেই বাংলার মুখ্যমন্ত্রী কে হবেন তা নিয়ে শুরু হয়েছে জল্পনা। সামনে আসছে একাধিক নাম। এর মধ্যেই জানা যাচ্ছে, আগামী ২৫ বৈশাখ অর্থাৎ ৯ মে নতুন মন্ত্রিসভার শপথ অনুষ্ঠান হতে পারে রাজভবনে। ইতিমধ্যে বাংলায় এসেছেন নির্বাচন কমিশনের প্রিন্সিপাল সেক্রেটারি এস জোশী। আগামিকাল, মঙ্গলবার রাজ্যে বিধানসভার চূড়ান্ত তালিকা তৈরি করা হবে। এরপরেই বুধবার নির্বাচন কমিশনের গ্যাজেট নোটিফিকেশন নিয়ে মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিক মনোজ কুমার আগরওয়াল এবং নির্বাচন কমিশনের প্রিন্সিপাল সেক্রেটারি রাজভবনে যাবেন। সেখানেই শপথ নিয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে। 

    এদিকে বঙ্গ জয় নিশ্চিত হতেই বঙ্গ বিজেপির রাজ্য সভাপতি শমীক ভট্টাচার্যকে ফোন করেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ। দীর্ঘক্ষণ তাঁদের মধ্যে কথা হয় বলে খবর। তবে কি নিয়ে দু’জনের কথা হয়েছে তা এখনও স্পষ্ট নয়। তবে সরকার গঠন-সহ একাধিক বিষয়ে শমীকের সঙ্গে শাহের কথা হতে পারে বলে খবর। তবে এই ফোনালাপের পরেই সমস্ত জয়ী বিধায়কদের জরুরি বৈঠকে তলব করা হয়েছে। সেই বৈঠকেই পরিষদীয় দলের নেতার নাম চূড়ান্ত হতে পারে।

    এদিকে শপথ অনুষ্ঠানের দিন হিসাবে রবীন্দ্রজয়ন্তির দিনকে বেছে নেওয়া যথেষ্ট তাৎপর্যপূর্ণ বলেই মনে করা হচ্ছে। বিশেষ করে গোটা প্রচারপর্বে বিজেপিকে ‘বাংলাবিরোধী’, ‘অবাঙালি’ তকমা সেঁটে দেওয়া হয়। এমনকী বঙ্গে বিজেপি আসলে মাছ বন্ধ হয়ে যাবে বলেও প্রচার করে তৃণমূল। কিন্তু বিজেপির বঙ্গ জয়ের পরেই সেই তকমা কাটাতে মরিয়া বিজেপি! আর তাই ফল বেরোতেই ষোলোআনা বাঙালি হওয়ার চেষ্টা বিজেপি নেতৃত্বের। আর সেই কারণেই ২৫ বৈশাখেই শপথ নেওয়ার সিদ্ধান্ত! উল্লেখ্য, এদিন দিল্লিতে একেবারে বাঙালিবাবু সেজে জনগণের সামনে হাজির হয়েছিলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি।
  • Link to this news (প্রতিদিন)