আমাদের অসংখ্য কর্মীর ত্যাগ, সংগ্রাম ও বলিদানের ফলেই বাংলায় বিজেপি এই ঐতিহাসিক জয় পেয়েছে। বহু অত্যাচার সহ্য করেও যে সমস্ত পরিবার কখনও গেরুয়া পতাকা ছাড়েননি, এই জয় তাঁদের ধৈর্যের ফসল। এটা তৃণমূলের ‘ভয়’-এর থেকেও নরেন্দ্র মোদির উপর ‘ভরসা’র জয়। শূন্য থেকে বিজেপির আজকের বিপুল সংখ্যাগরিষ্ঠতায় পৌঁছানোর এই সুকঠিন যাত্রাপথে যাঁরা নিজেদের জীবন উৎসর্গ করেছেন, হিংসার শিকার হয়েছেন, অকথ্য নির্যাতনের যন্ত্রণা সহ্য করেছেন, আমি সেই সকল কর্মীকে প্রণাম জানাই। যাঁরা নিজেদের আদর্শের পথ থেকে বিচ্যুত হননি, তাঁদের পরিবারকে প্রণাম জানাই। এই বিপুল সংখ্যাগরিষ্ঠতার মধ্যে দিয়ে বাংলার জনগণ সেই সমস্ত শহিদ বিজেপি কর্মীকে শ্রদ্ধা নিবেদন করেছেন।
— অমিত শাহ, কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী
প্রধানমন্ত্রীর নেতৃত্ব ও তাঁর জনমুখী নীতির প্রতি দেশের জনগণের যে আস্থা রয়েছে, তা এই ঐতিহাসিক বিধানসভা নির্বাচনের ফলাফলে প্রতিফলিত হয়েছে। আমি সমস্ত পদাধিকারী ও কর্মীদের অভিনন্দন জানাই।
— যোগী আদিত্যনাথ, উত্তরপ্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী
পশ্চিমবঙ্গের এই ঐতিহাসিক ফলাফলে স্পষ্ট মানুষ দুর্নীতি, ভয় ও তোষণের রাজনীতিকে প্রত্যাখ্যান করেছে। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির নেতৃত্বাধীন বিজেপির সেবা, সুশাসন ও বিকাশের পক্ষে এই জনাদেশ দিয়েছে। ঝালমুড়ি ও রসগোল্লার সঙ্গে জয় উদযাপিত হচ্ছে।
— রেখা গুপ্তা, দিল্লির মুখ্যমন্ত্রী
‘যে মাটিতে শ্যামাপ্রসাদ মুখোপাধ্যায় জন্মগ্রহণ করেছেন, সেই বাংলা এখন আমাদের। বিধানসভা নির্বাচনে এই ঐতিহাসিক ফলাফলের জন্য পশ্চিমবঙ্গের দেশপ্রেমী মানুষকে শতকোটি প্রণাম।
— সম্রাট চৌধুরী, বিহারের মুখ্যমন্ত্রী
এটা জনসঙ্ঘের প্রতিষ্ঠাতা শ্যামাপ্রসাদ মুখোপাধ্যায়ের জন্মস্থান। বাংলায় বিজেপির সরকার গঠনের স্বপ্ন অবশেষে বাস্তবায়িত হয়েছে। এই ভোটে জয় বিজেপিকে একমাত্র সর্বভারতীয় দল হিসাবে প্রতিষ্ঠিত করল।
‘পশ্চিমবঙ্গে দলের শক্তি বৃদ্ধির লক্ষ্যে যে নিরন্তর চেষ্টা চলেছে, এই জয় সেই লড়াইয়ের ফসল। পশ্চিমবঙ্গে এই নিরঙ্কুশ সংখ্যাগরিষ্ঠতার কৃতিত্ব প্রধানমন্ত্রী মোদি, কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ ও দলের সেই সমস্ত কর্মীদের প্রাপ্য, যাঁরা অক্লান্ত পরিশ্রম করেছেন।’