নিজস্ব প্রতিনিধি, নয়াদিল্লি: বাংলায় মুখ্যমন্ত্রী কে? ভোটের ফল সোমবার বিকেলের মধ্যে স্পষ্ট হওয়ার পরই শুধু বঙ্গবাসী নয়, জাতীয় স্তরেও এই চর্চা ও আগ্রহ তুঙ্গে। কয়েকদিনের মধ্যেই স্পষ্ট হয়ে যাবে স্বাধীনতার পর বাংলার নবম মুখ্যমন্ত্রী হিসাবে কে কুর্সিতে বসবেন? প্রফুল্ল চন্দ্র ঘোষ, বিধানচন্দ্র রায়, প্রফুল্ল চন্দ্র সেন, অজয় মুখোপাধ্যায়, সিদ্ধার্থ শংকর রায়, জ্যোতি বসু, বুদ্ধদেব ভট্টাচার্য এবং মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। এই আট মুখ্যমন্ত্রী ৮০ বছর ধরে চালিয়েছেন বাংলার শাসন। বাংলার রাজনৈতিক ইতিহাসে আবার এক পালাবদল। আবার এক নতুন যুগের সূত্রপাত। তাই নতুন সরকার গঠনের আগেই জনমনে প্রবল কৌতূহল মুখ্যমন্ত্রীর নাম নিয়ে। যে নামগুলি নিয়ে সবথেকে বেশি চর্চা চলছে, প্রত্যাশিতভাবেই সেই তালিকায় অগ্রগণ্য শুভেন্দু অধিকারী। বর্তমান মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে তাঁর গড় ভবানীপুরে হারিয়েছেন তিনি। শুধু তাই নয়, নিজের গড় নন্দীগ্রামও ধরে রেখেছেন। এহেন সাফল্যের জেরে তাঁকেই মুখ্যমন্ত্রী করা হবে বলে জোরদার জল্পনা। আবার যেহেতু নরেন্দ্র মোদি এবং অমিত শাহের মনের মধ্যে শেষ পর্যন্ত কী আছে, সেটা জানা একপ্রকার অসাধ্য এবং সাম্প্রতিককালে একের পর ক্ষেত্রে তাঁরা চমক দিয়েছেন, তাই অন্য কোনো নাম শেষ পর্যন্ত উঠে এলেও আশ্চর্য হওয়ার কিছু থাকবে না। সেই অন্য তালিকায় শমীক ভট্টাচার্য থেকে স্বপন দাশগুপ্ত অথবা অগ্নিমিত্রা পালের নামও উঠে আসছে। যদিও আগ্রহের সঞ্চার হয়েছে বিজেপির বিভিন্ন রাজ্যের মন্ত্রিসভা গঠনের মডেল নিয়েও। বাংলায় কি অন্য রাজ্যের মতোই এবার উপমুখ্যমন্ত্রী পদও থাকবে? অর্থাৎ ক্ষোভ-বিক্ষোভ সামলাতে মুখ্যমন্ত্রী ছাড়াও দু’জন উপমুখ্যমন্ত্রী হতে পারেন? জানা গিয়েছে, আগামী কাল বুধবারের মধ্যেই দু’টি সিদ্ধান্ত হয়ে যাবে। অর্থাৎ কে হবেন, বিজেপি পরিষদীয় দলনেতা তথা মুখ্যমন্ত্রী। প্রতিরক্ষামন্ত্রী রাজনাথ সিং যাচ্ছেন বাংলায় বিজেপি বিধায়কদের সঙ্গে বৈঠক করতে।