চেন্নাই: তামিলনাড়ু বিধানসভা নির্বাচনে লজ্জার হার স্বীকার করলেন বিদায়ী মুখ্যমন্ত্রী এম কে স্ট্যালিন। তবে চিপক-থিরুভাল্লিকেনি কেন্দ্রে জিতে মুখরক্ষা করেছেন ছেলে উদয়নিধি। সোমবার সকালেই নিজের সোশ্যাল মিডিয়া অ্যাকাউন্টে মুখ্যমন্ত্রী পরিচয় মুছে দেন স্ট্যালিন। দিনের শেষে নিজের নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী তথা টিভিকের ভিএস বাবুর কাছে হার স্বীকার করতে হয় তাঁকে।
জানা গিয়েছে, ৯ হাজারেরও বেশি ভোট পেয়ে জয়লাভ করেছেন ভিএস বাবু। এর আগে ২০০৬ থেকে ২০১১ পর্যন্ত পুরাসাওয়াল্কম আসনের ডিএমকে বিধায়ক ছিলেন। পরে এআইএডিএমকে-তে যোগ দেন। চলতি বছরে অভিনেতা বিজয়ের টিভিকে-র হাত ধরেন তিনি। এখন টিভিকের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক। এবার রাজ্যের বিদায়ী মুখ্যমন্ত্রী স্ট্যালিনকে হারিয়ে নজর কাড়লেন তিনি। বাবা হারলেও বিদায়ী উপমুখ্যমন্ত্রী স্ট্যালিন-পুত্র উদয়ানিধি টিভিকে-র ডি সেলভামকে হারিয়ে চেপাক-তিরুভল্লিকেনি আসন ধরে রেখেছেন। এরইমধ্যে রাজ্যে সম্ভাব্য জোট সমীকরণ নিয়ে সোশ্যাল মিডিয়ায় একটি মিম ঘিরে জোর চর্চা চলছে। যেখানে ‘জোসেফ’ ও ‘স্ট্যালিনে’র হাত মেলানোর সম্ভাবনা নিয়ে রসিকতা চলছে। এই কৌতুকের উৎস বিজয় ও স্ট্যালিনের নামের মধ্যে। শোনা যায়, সোভিয়েত রাশিয়ার নেতা জোসেফ স্ট্যালিনের নামের সঙ্গে মিলিয়েই ছেলের নাম এম কে স্ট্যালিন রেখেছিলেন করুণানিধি। আবার টিভিকে প্রধান বিজয়ের পুরো নাম চন্দ্রশেখরন জোসেফ বিজয়। এই সূত্র ধরেই এক এক্স হ্যান্ডলে একজনের সরস মন্তব্য, ‘এবার কি জোসেফ (বিজয়) আর স্ট্যালিন জোট বেঁধে তামিলনাড়ু চালাবেন!’ এই শব্দখেলা হাস্যরস জোগালেও বাস্তব পরিস্থিতি অনেকটাই আলাদা। প্রচারের সময় বিজয় স্পষ্টভাবেই ডিএমকে-কে তাঁর ‘রাজনৈতিক শত্রু’ বলে উল্লেখ করেছিলেন। ফলে বাস্তবে এমন কোনো ‘জোসেফ-স্ট্যালিন’ জোট হলে তা তামিলনাড়ুর রাজনৈতিক ইতিহাসে সবচেয়ে অপ্রত্যাশিত মোড় হবে বলেই মনে করছেন রাজনীতিবিদরা। ছবি: পিটিআই