• হাওড়া গ্রামীণ জেলায় গেরুয়া হাওয়ায় বেসামাল তৃণমূল কংগ্রেস
    বর্তমান | ০৫ মে ২০২৬
  • সংবাদদাতা, উলুবেড়িয়া: নির্বাচনের প্রথম থেকেই হাওড়া গ্রামীণ জেলার একাধিক আসনকে পাখির চোখ করেছিল বিজেপি। জেলায় গেরুয়া ঝড় তুলতে বদ্ধপরিকর ছিলেন দলের হেভিওয়েট নেতারা। সেই কারণে দলের একাধিক নেতা নির্বাচনি প্রচারে জেলায় এসেছিলেন। ফলও হল গেরুয়া ঝড়। আর তাতেই তৃণমূল প্রার্থীদের পরাজিত করে জেলার তিনটি কেন্দ্র নিজেদের দখলে নিয়ে এল বিজেপি। আর তৃণমূল জেলার পাঁচটি আসন এবারেও তাদের দখলে রাখল। বিজেপির ছিনিয়ে নেওয়া কেন্দ্রগুলি হল: শ্যামপুর, আমতা এবং উলুবেড়িয়া উত্তর। অপরদিকে তৃণমূল যে বিধানসভা কেন্দ্রগুলিতে এগিয়ে আছে, সেই কেন্দ্রগুলি হল উলুবেড়িয়া পূর্ব, উলুবেড়িয়া দক্ষিণ, বাগনান, উদয়নারায়ণপুর এবং পাঁচলা। তবে প্রতিটি কেন্দ্রেই প্রার্থীদের মধ্যে হাড্ডাহাড্ডি লড়াই হয়। এদিন সকালে ত্রিস্তরীয় নিরাপত্তার মধ্যে দিয়ে বীরশিবপুরের বেসরকারি ইঞ্জিনিয়ারিং কলেজে ভোট গণনা শুরু হয়। গণনা কেন্দ্রের ২০০ মিটারের বাইরে একদিকে তৃণমূলের ও অন্যদিকে বিজেপির ক্যাম্প অফিস তৈরি করা হয়। এদিকে বেলা বাড়তেই বিভিন্ন জায়গা থেকে বিজেপি প্রার্থীদের এগিয়ে যাওয়ার খবর আসার পর থেকেই উল্লাসে ফেটে পড়তে থাকেন বিজেপি কর্মী, সমর্থকরা। বাদ্যযন্ত্র, দলীয় পতাকা আর গেরুয়া আবির নিয়ে উৎসবের আনন্দে মেতে ওঠেন তারা। এদিন বিকালে গণনা কেন্দ্রের দূরে ১৬ নম্বর জাতীয় সড়কের পাশে দাঁড়িয়ে বিজেপির পতাকা হাতে নিয়ে নাড়ছিলেন গৃহবধূ কাকলি মাইতি। দিদি কীরকম মনে হচ্ছে? এই প্রশ্নের উত্তরে তিনি জানান, গত বিধানসভা নির্বাচনেও খুব আশা ছিল বিজেপি জিতবে। কিন্ত গতবারে বিজেপি হেরে যাওয়ায় মন খারাপ হয়ে গিয়ছিল। এবারে কিন্তু সেই আশা সত্যি হল। বীরশিবপুর গ্রোথ সেন্টারের  মধ্যে ২০০ মিটারের বাইরে একটি কারখানার সামনে গেরুয়া আবির মেখে বাইক নিয়ে দাঁড়িয়েছিলেন আমতা থেকে আসা অলোক ভুঁইয়া। বললেন, এবারে যেভাবে ভোট হয়েছিল, তাতে নিশ্চিত ছিলাম যে পরিবর্তন হচ্ছে। সেটাই হল। ভালো লাগছে।
  • Link to this news (বর্তমান)