আজকাল ওয়েবডেস্ক: বেলেঘাটা থানা এলাকায় এক ব্যক্তির অস্বাভাবিক মৃত্যুকে কেন্দ্র করে এলাকায় যথেষ্ট চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে। বিষয়টি হত্যা নাকি আত্মহত্যা, তা নিয়ে তদন্ত শুরু করেছে পুলিশ।
তবে হত্যার অভিযোগ দায়ের করেছেন মৃতের স্ত্রী। জানা গিয়েছে, মৃতের নাম বিশ্বজিৎ পট্টনায়েক(৪০)। পরিবারের অভিযোগ, সোমবার রাত সাড়ে ১১টা নাগাদ দেখা যায়, রক্তাক্ত অবস্থায় পড়ে রয়েছে বিশ্বজিতের দেহ।
এরপর বেলেঘাটা থানার পুলিশকে খবর দিলে পুলিশ ঘটনাস্থলে তৎক্ষণাৎ এসে পৌঁছায়। পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে বিশ্বজিৎকে রক্তাক্ত অবস্থায় উদ্ধার করে হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয় পরিবারের তরফে।
ওই ব্যক্তিকে এনআরএস হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হলে চিকিৎসকরা তাঁকে মৃত বলে ঘোষণা করেন। জানা গিয়েছে, পরিবারের তরফে পুলিশের কাছে এই ঘটনায় লিখিত ভাবে অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে।
পরিবারের দাবি, ছাদ থেকে অজানা কোনও ব্যক্তি লাথি মেরে ফেলে হ্ত্যা করেছে বিশ্বজিতকে। তবে পুলিশের তরফে জানানো হয়েছে, বিষয়টি হত্যা নাকি আত্মহত্যা তা নিয়ে স্পষ্ট করে কিছু বলা যাচ্ছে না।
তবে মৃতের স্ত্রী-এর তরফে যেহেতু হত্যার মামলা দায়ের করা হয়েছে, সে কারণে অভিযোগের ভিত্তিতে পুলিশ তদন্ত করছে। জানা গিয়েছে, ময়নাতদন্তের জন্য মৃতদে হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।
পুলিশ সূত্রে খবর, ময়নাতদন্তের রিপোর্ট এলে তবেই বিষয়টি স্পষ্ট হবে। আরও জানা গিয়েছে, সোমবার সাড়ে ১১টা নাগাদ এই ঘটনা ঘটে। ছাদ থেকে কেউ লাথি মেরে ফেলে দিয়েছে বলেই অভিযোগ পরিবারের।
পুলিশ ঘটনাস্থলে গেলে জানতে পারে তার পরিবার ওই ব্যক্তিকে নীলরতন সরকার মেডিক্যাল কলেজে নিয়ে গেছে। হাসপাতালই তাকে মৃত ঘোষণা করা হয়। মৃতের স্ত্রী লিখিত অভিযোগে জানিয়েছেন, কোনও কাজের প্রয়োজনে ছাদে উঠেছিল বিশ্বজিৎ।
সেই সময় কোনও এক অজানা ব্যক্তি তাঁকে লাথি মেরে ছাদ থেকে ফেলে দেন। তবে কে বা কারা এমন ঘটনা ঘটিয়েছে জোর কদমে তার তদন্ত শুরু করেছে পুলিশ।