আজকাল ওয়েবডেস্ক: তৃণমূল কংগ্রেস রাজ্যে ক্ষমতায় ফিরতেই বদল হয়েছিল প্রশাসনিক ভবনের। শহরের প্রাণকেন্দ্রে দাঁড়িয়ে থাকা রাইটার্স বিল্ডিং থেকে রাজ্যের প্রশাসনিক ভবন বদলে গিয়েছিল গঙ্গা পাড়ে, নবান্ন-তে। কিন্তু এবার ফের বদল। সরকার বদল হতেই, বদলে যাচ্ছে প্রশাসনিক ভবন।
তৃণমূল কংগ্রেসের শাসন ক্ষমতায় প্রশাসনিক ভবন ছিল নবান্ন। ১৭৭৬ সালে টমাস লিয়নের পরিকল্পনায় গড়ে উঠেছিল লালবাড়ি রাইটার্স, ওই বাড়িই প্রশাসনিক ভবন হিসেবে পরিচিত। বর্তমানে লাল দিঘির পাড়ে গড়ে ওঠে লাল ইটের বাড়িটি। সেখানে আগে ছিল কলকাতায় ব্রিটিশদের তৈরি প্রথম উপাসনাস্থল। সেই পরিত্যক্ত গির্জার জমিতে গড়ে ওঠে করণিকদের কর্মস্থলটি। তারপর থেকেই এই লাল বাড়িটিতে স্বাধীনতার পরে পশ্চিমবঙ্গ সরকারের প্রশাসনিক সদর দপ্তর হয়ে ওঠে। ইতিমধ্যে গঙ্গা দিয়ে জল বয়ে গিয়েছে অনেক। ২০১১ সালে ৩৪ বছরের বাম শাসনকে ক্ষমতা থেকে সরিয়ে ক্ষমতায় আসে তৃণমূল কংগ্রেস। এরপর ২০১১ সালে তৃণমূল সরকার ক্ষমতায় আসার পর দখল নেয় মহাকরণ (রাইটার্স বিল্ডিং) মহাকরণের আমূল সংস্কারের জন্য সচিবালয় সরিয়ে নিয়ে যায় গঙ্গার ওপারে। নাম দেওয়া হয় নবান্ন। সেখান থেকেই ১৫ বছর শাসন চালিয়েছে মমতা সরকার।
আগেই বিজেপি বলেছিল ক্ষমতায় আসলে নবান্নতে নয় পুরোনো হেরিটেজ লাল দিঘির পাড়ে রাইটার্স বিল্ডিং-এ ফিরে যাবে। আগামী তে কে মুখ্যমন্ত্রীর আসনে বসবেন? এখনও ঠিক না হলেও, সূত্রের খবর, আজকের মধ্যেই চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত হতে পারে। কিন্তু ৯ তারিখের শপথ গ্রহণের পর নতুন সরকার এর মুখ্যমন্ত্রী, কোথায় বসবেন তা নিয়ে প্রস্তুতি শুরু হয়ে গেল। সূত্রের খবর ঐতিহাসিক পুরনো সেই মহাকরণ বিল্ডিং ফিরতে পারে বিজেপি সরকার। বিজেপির বিপুল জয়ের পরদিন ইঞ্জিনিয়ার ও প্রশাসনিক কর্তারা মহাকরণে যেতে পারেন বলেই তথ্য সূত্রের। নিরাপত্তার জন্য পুলিশ বন্দোবস্ত কী হবে তা নিয়েও সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে খুব তাড়াতাড়ি, খবর সূত্রের।