• সরে গেল মমতার বাড়ির সামনের ব্যারিকেড, হরিশ চ্যাটার্জি স্ট্রিট এখন অবাধ
    আজ তক | ০৫ মে ২০২৬
  • নামের পাশে 'প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী' লেখা এখন কেবলমাত্র সময়ের অপেক্ষা। ভবানীপুর কেন্দ্র থেকে শুভেন্দু অধিকারীর কাছে হেরে বর্তমানে আর বিধায়কও রইলেন না মমতা বন্দ্যোপাধ্যয়। তবে তাঁর পদত্যাগ করার আগেই নিরাপত্তায় কাটছাঁট করা হল? মঙ্গলবার ঠিক কী ঘটল কালীঘাটের হরিশ চ্যাটার্জি স্ট্রিটে? 

    ৩০ বি হরিশ চ্যাটার্জি স্ট্রিট। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের কালীঘাটের বাসভবন। মুখ্যমন্ত্রী হওয়ার পর থেকেই সেখানে দুর্ভেদ্য নিরাপত্তার বন্দোবস্ত। মাছি গলারও উপায় নেই হরিশ চ্যাটার্জি স্ট্রিটে। এমনকী, ওই রাস্তায় যাঁরা বসবাস করেন, তাঁদেরও নিজেদের পরিচয় দিয়ে তবে বাড়ি ঢুকতে হয়। পরিচয় জানতে চাওয়া হয়। কী কাজ, কার সঙ্গে দেখা করবেন, এমন নানা প্রশ্নের সম্মুখীন হতে হয় বন্দ্যোপাধ্যায় পরিবারের প্রতিবেশীদেরও। হয়রানির জ্বালায় অনেক সময়ে পকেটে আধার কার্ডও নিয়ে ঘোরেন অনেকে। সর্বক্ষণ থাকে সিসিটিভি সার্ভেল্যান্স। গোটা পাড়াটাই মোড়া ক্যামেরায়। ২৪ ঘণ্টাই নজরদারিতে মোতায়েন একগুচ্ছ পুলিশ। ২০১৬ সালে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় দ্বিতীয়বার মুখ্যমন্ত্রী হওয়ার পর থেকেই এমন চিত্রের সঙ্গে অভ্যস্ত হয়ে গিয়েছেন আশপাশের লোকজন। 

    তবে দীর্ঘদিন পর হরিশ চ্যাটার্জি স্ট্রিটের চিত্রটা বদলে গেল রাতারাতি। বিদায়ী মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের বাড়ির দিকে যাওয়ার গলির মুখে যে দুর্ভেদ্য সিজার ব্যারিকেড বসানো থাকত, তা সরিয়ে ফেলা হল মঙ্গলবার। এদিন সকাল থেকেই হরিশ চ্যাটার্জি স্ট্রিটের মুখে মোতায়েন থাকা পুলিশ কর্মীরা কাউকেই আর আটকাচ্ছেন না। সরিয়ে ফেলা হয়েছে গলির মুখের সিজার ব্যারিকেডও। কোনও কড়াকড়ি চোখে পড়ছে না। কোনও প্রশ্নের সম্মুখীন না হয়ে অবাধেই যাতায়াত করতে পারছেন এলাকাবাসী। 

    বিধানসভা নির্বাচনে ভারডুবির পরদিন সকালেই খোদ মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের এলাকায় নিরাপত্তার এমন শিথিলতা রীতিমতো চোখে পড়ার মতো। অবাক হচ্ছেন স্থানীয় বাসিন্দারাও। অনেকেই যদিও দীর্ঘদিনের এই হয়রানির অবসানে স্বস্তিও পেয়েছেন। 

     
  • Link to this news (আজ তক)